Country

1 week ago

EC Dissent Row: ‘জ্ঞানেশ, আপনার খেলা শেষ’! কমিশনের অন্তর্কলহের দাবি ঘিরে ‘আরশোলা’-দের বিস্ফোরক বার্তা

Cockroach Janta Party (CJP) founder Abhijeet Dipke
Cockroach Janta Party (CJP) founder Abhijeet Dipke

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  নির্বাচন কমিশনের অন্দরে ভিন্নমতের দাবি ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে শুরু হয়েছে চর্চা। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, অপর দুই নির্বাচন কমিশনারের বক্তব্যের সঙ্গে সহমত না হয়েই একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। প্রতিবেদনটি প্রকাশ্যে আসার পরই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। এই আবহেই জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা করলেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। প্রকাশ্যে তাঁকে কটাক্ষ করে অভিজিৎ বলেন, “জ্ঞানেশ, ইটস ডান ব্রো।” অর্থাৎ তাঁর বক্তব্যের তাৎপর্য, “আপনার খেলা শেষ হয়ে গিয়েছে।” শুধু মন্তব্যেই থেমে থাকেননি তিনি। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ফের বিক্ষোভ কর্মসূচি নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন অভিজিৎ। 

বুধবার ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর চাঞ্চল্য প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনে ঘোরতর ভিন্নমতের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে! অপর দুই কমিশনারের বক্তব্য উপেক্ষা করে একের পর এক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার গত ১০ মাসে বিভিন্ন বিষয়ে অন্তত ১৪ বার কমিশনের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের লিখিত আপত্তি জানিয়েছিল দুই নির্বাচন কমিশনার। এসআইআর-এ ভোটার তালিকায় নতুন নাম সংযোজন, বাদ দেওয়া, বাদ দেওয়া নাম পুনরায় ভোটার তালিকায় সংযোজনের মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশীর সম্মতি ছিল না। যা নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে রীতিমতো বিস্ফোরণ ঘটে গিয়েছে।  

বিরোধীরা একযোগে নির্বাচন কমিশনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়রা একসুরে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন। বিজেপির দিকে নিশানা করে বিরোধীদের বক্তব্য, গেরুয়া শিবির যে চুরি করেই ভোটে জিতছে, সেটা এবার প্রমাণিত হয়ে গেল। বিতর্কের মধ্যে কমিশন জানিয়েছে, “কমিশন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় কাজ করে। কোনও বিষয়ে সদস্যদের মধ্যে ভিন্ন মত থাকা অস্বাভাবিক নয়। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এই ধরনের আলোচনা ও মতবিনিময় হয়। কমিশনের ৩ সদস্যের পাশাপাশি অন্য আধিকারিকরাও নিজেদের মতামত স্বাধীনভাবে জানাতে পারেন। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয় ঐক্যবদ্ধভাবেই।” 

You might also like!