
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই বুধবার দিল্লিতে বৈঠকে বসতে চলেছে ইন্ডিয়া জোট। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা এবং এসআইআর নিয়ে পরবর্তী কৌশল নির্ধারণের পাশাপাশি জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। তবে এই বৈঠকে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব উপস্থিত থাকছেন না। দলীয় সূত্রে তাঁর ব্যস্ততার কথা জানানো হয়েছে এবং তাঁর পরিবর্তে দলের কয়েকজন প্রবীণ নেতা বৈঠকে যোগ দিতে পারেন। অন্যদিকে, আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল বৈঠকে থাকবেন কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ফলে নির্বাচন কমিশন ইস্যুতে বিরোধী দলগুলির যৌথ অবস্থান কতটা সমন্বিত হয়, বুধবারের বৈঠকের দিকে এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।
বুধবার দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে বসতে চলেছে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক। আসলে ভোটচুরি ইস্যুতে বৃহত্তর বিরোধী ঐক্য চাইছে কংগ্রেস। তবে বিরোধীদের একজোট করতে ফের প্রথম উদ্যোগটা নিয়েছেন কালীঘাট তৃণমূলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ইস্যুতে রাহুল গান্ধী, অখিলেশ-সহ অন্য বিরোধী নেতার সঙ্গেও কথা হয় মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমোর। কিন্তু তারপরই ধাক্কা। কেন অখিলেশ বৈঠকে আসছেন না? সমাজবাদী পার্টির তরফে জানানো হয়েছে, উত্তরপ্রদেশে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে তিনি বৈঠকে যোগ দিতে পারছেন না। বলে রাখা ভালো, উত্তরপ্রদেশে আসন সমঝোতা নিয়ে কংগ্রেস ও সমাজবাদী পার্টির মধ্যে টানাপোড়েন চলছে। অখিলেশের কাছে উত্তরপ্রদেশের ৪০৩ আসনের মধ্যে অন্তত ১৫০টি চেয়েছে হাত শিবির। সমাজবাদী পার্টি মনে করছে, ক্ষমতার চেয়ে অনেক অনেক বেশি দাবি করছে হাত শিবির।
এদিকে ইন্ডিয়া জোটে কংগ্রেসে যে ‘আপত্তি’ রয়েছে, তা ফের বুঝিয়ে দিয়েছে ডিএমকে। ডিএমকে-র মুখপাত্র টি.কে.এস. এলাঙ্গোভান বলেন, ” অখিলেশের অনুপস্থিতি জোটের উপর কোনও বড় প্রভাব ফেলবে না। অনেক দলই সরাসরি কংগ্রেসের সঙ্গে দাঁড়াতে চায় না। কিছু দল কংগ্রেসের সঙ্গে যেতে দ্বিধা বোধ করছে। কিন্তু তাদের সবার ভাবনা একই। সবার লক্ষ্যই বিজেপির বিরোধিতা করা। তাই, ব্যক্তিগতভাবে সভায় উপস্থিত থাকার প্রয়োজন নেই।”
