Breaking News
 
Sarsuna Incident: সরশুনা কাণ্ডে পালটা ‘শাস্তি’! খালি গায়ে কোমরে দড়ি বেঁধে অভিযুক্তদের রাস্তায় হাঁটাল পুলিশ CEC-SIR hearing: রাহুলের আবেদন-সহ একাধিক মামলার শুনানি স্থগিত, সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তে স্বস্তি জ্ঞানেশের Virat Kohli: বন্ধুর সাফল্যে উচ্ছ্বসিত বিরাট কোহলি, সোশ্যাল মিডিয়ায় খোলা চিঠিতে কী লিখলেন তিনি? Dilip Ghosh: দলবদল নিয়ে বিজেপিতে নতুন করে চর্চা, ‘কংগ্রেস থেকে এলে তৃণমূল থেকেও আসতে পারেন’—দিলীপ Trump Slams Brazil Election: ‘নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে’, লুলার জয় নিয়ে সন্দেহ ট্রাম্পের! পুরস্কার ঘোষণায় নতুন বিতর্ক Rahul Gandhi: ‘মোদিকে বলুন জ্ঞানেশকে সরাতে, ৩০ সেকেন্ডে থামবে বিক্ষোভ’, দিল্লির ব্যবসায়ীদের বার্তা রাহুলের

 

Supreme Court: SIR-এর সিদ্ধান্তে জ্ঞানেশ একা নন, সুপ্রিম কোর্টে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল নির্বাচন কমিশন

Election Commission's affidavit to Supreme Court
Election Commission's affidavit to Supreme Court

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে এককভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগ খারিজ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সোমবার সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়া পাল্টা হলফনামায় কমিশনের দাবি, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) সংক্রান্ত তিনটি নির্দেশই তিন কমিশনারের সর্বসম্মতিতে জারি করা হয়েছিল। ২০২৫ সালের জুন ও অক্টোবর এবং ২০২৬ সালের মে মাসে নেওয়া ওই সিদ্ধান্তগুলির ক্ষেত্রে এককভাবে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলেই শীর্ষ আদালতে জানিয়েছে কমিশন।

মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কার্যপদ্ধতি এবং এসআইআর-সংক্রান্ত ফর্মে আনা পরিবর্তনকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে পিটিশন দায়ের হয়। তার পরিপ্রেক্ষিতেই এদিন হলফনামা জমা দেয় কমিশন। সেখানেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বাকি দুই কমিশনের মতভেদের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে কমিশন। হলফনামায় তারা আরও জানিয়েছে, উত্থাপিত অভিযোগগুলি সম্পূর্ণভাবে একটিমাত্র সংবাদ প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে।কমিশন স্পষ্ট করেছে, কোনও সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার আগে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার প্রতিটি পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতামত, পরামর্শ, পর্যবেক্ষণ, ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি বা প্রশ্ন – সবকিছুই বিবেচনা করা হয়। সুতরাং, সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশনারদের মতামতও বিবেচনায় থাকে।কোনও নথি পর্যালোচনার সময় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা বাকি নির্বাচন কমিশনারদের কোনও মন্তব্য, প্রশ্ন বা পরামর্শকে কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসাবে গণ্য করা হয় না। কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, ২০২৫ সালের জুন, ২০২৫ সালের অক্টোবর এবং ২০২৬ সালের মে মাসে এসআইআর সংক্রান্ত যে তিনটি নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সেগুলি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছিল।

ভোটারের নাম তোলার ফর্ম ৬-এ পরিবর্তন সংক্রান্ত অভিযোগগুলিও খারিজ করে দিয়েছে কমিশন। তারা স্পষ্ট করেছে, এসআইআর সংক্রান্ত তিনটি নির্দেশের কোনওটির ফলেই ফর্ম ৬-এ কোনও পরিবর্তন আসেনি। প্রসঙ্গত, সর্বভারতীয় সংবাদপত্র ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এ সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেখানে দাবি করা হয়, এসআইআর সংক্রান্ত সিদ্ধান্তগুলি একতরফা ভাবে নিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। বাকি দুই কমিশনারকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রাখা হয়। শুধু তাই নয়, ফর্ম ৬-এর বদল নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। কিন্তু তাঁদের কোনও আপত্তিতেই আমল দেওয়া হয়নি।

হলফনামায় এদিন কমিশন জানিয়েছে, ফর্ম ৬-এ তারা কোনও সংশোধন আনেনি। এসআইআর প্রক্রিয়ার সময় ফর্ম ৬-এর সঙ্গে যুক্ত অতিরিক্ত ঘোষণাটি ছিল স্বতন্ত্র। তবে, একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্বীকার করে কমিশন জানিয়েছে, অনলাইনে ঘোষণাটি যেভাবে প্রদর্শিত হয়েছিল, তা দেখে মনে হতে পারে যে ফর্মটিতে সংশোধন আনা হয়েছে। কমিশন আরও জানিয়েছে, গত ২১ অক্টোবর থেকে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়ায় তারা এই দু’টি অংশকে পৃথক করে দিয়েছে।

 শীর্ষ আদালতে এসআইআর সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা। কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী, কংগ্রস নেতা দিগ্বিজয় সিং, এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি-সহ অন্যান্যদের দায়ের করা মোট সাতটি পিটিশন তালিকায় রয়েছে।অধিকাংশ আবেদনেই জ্ঞানেশকে তাঁর পদ থেকে সাময়িকভাবে সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ৫ অক্টোবর কয়েকটি আবেদনের প্রেক্ষিতে নোটিস জারি করেছিল সর্বোচ্চ আদালত। তারা জানিয়েছিল, কেবল সংবাদপত্রের প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে কোনও নির্দেশ দেওয়া সম্ভব নয়। সব পক্ষের বক্তব্য শোনা প্রয়োজন। তবে, সুপ্রিম কোর্ট এ-ও জানিয়েছিল যে, কমিশনের নেওয়া কোনও সিদ্ধান্ত যদি আইনসম্মত না হয়, তাহলে তা বাতিল করে দেওয়া হবে।

শেয়ার করুন:

You might also like!

    লোড হচ্ছে…