
নয়াদিল্লি, ২ মে : টানা পাঁচ ম্যাচে হারের পর দুটো জয়। অক্সিজেন পেয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। তা অবশ্য দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। গত ম্যাচে আবার হার। ঘরের মাঠেই হেরেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে। ব্যাটিং ব্যর্থতায় গত ম্যাচে হারতে হয়েছে মাত্র ৯ রানে। আর এই হারে পয়েন্ট টেবিলের একেবারে শেষের দল এখন দিল্লি ক্যাপিটালস। প্রশ্ন উঠছে, অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নারকে নিয়ে। টুর্নামেন্টে এখন অবধি ৩০০-এর বেশি রান করেছেন দিল্লি অধিনায়ক। তবে তাঁর স্ট্রাইকরেট ১২০-র নীচে। নেতৃত্বেও ভরসা দিতে পারছেন না। তাই সমালোচনায় বিদ্ধ ওয়ার্নার।
আজ পয়েন্ট টেবলের প্রথম দল গুজরাট টাইটানসের সঙ্গে শেষের দল দিল্লি ক্যাপিটালসের লড়াই। তারপর অ্যাওয়ে ম্যাচের আবার তাদের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী গুজরাট টাইটান্স। এই মুহূর্তে বিধ্বংসী ফর্মে রয়েছে টাইটান্স। এর ওপর গত অ্যাওয়ে ম্যাচে ইডেন গার্ডেন্সে কলকাতাকে হারিয়ে আরো টগবগে গুজরাট টাইটান্স। গত বারের চ্যাম্পিয়ন গুজরাট টাইটান্স এবার প্রথমদিকে কিছুটা নড়বড়ে থাকলেও যত আইপিএল গড়াচ্ছে ততই ছন্দে ফিরছে। ব্যাটিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন বিজয় শঙ্কর, ডেভিড মিলার, নুর আহমেদ, জশ লিটলরা। আর অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া তো আছেনই। প্রথমদিকে হার্দিক তেমন একটা ফর্ম না দেখালেও এখন তিনি ফর্মে রয়েছেন। আর বোলিং এ আফগান তারকা রশিদ খানের সঙ্গে রয়েছেন আর এক তরুণ আফগান চায়নাম্যান নুর আহমেদ, মহম্মদ সামি, জশ লিটলরা। গত ম্য়াচে রশিদের খারাপ পারফরম্যান্স ঢেকে দিয়েছেন এঁরা। গত বারের চ্যাম্পিয়নরা এ বার প্রথম ৮ ম্য়াচের মধ্যে ৬টি জিতেছে। সুতরাং আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে গুজরাট টাইটান্স।
দিল্লি গত ম্যাচে হায়দ্রাবাদের বিরুদ্ধে জয়ের কাছাকাছি এসেও হেরেছে। হারায় ট্রাজিক নায়ক হয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছিল মিচেল মার্শকে। ৪ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি অনবদ্য একটা ইনিংস খেলেন। তিনি আর কিছুক্ষণ ক্রিজে থাকলে হয়তো ম্যাচটা বেরিয়ে যেত। কিন্তু মার্শ এবং ফিল সল্ট বাদে বাকিরা ব্যর্থ। অক্ষর প্যাটেল প্রতি ম্যাচে ভরসা দিলেও তাঁকে কেন নীচের দিকে নামানো হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্নের মুখে দিল্লি টিম ম্যানেজমেন্ট। তবে শক্তিশালী গুজরাটের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে গত ম্যাচে হায়দ্রাবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে মাত্র ৯ রানে হারটাই এখন অক্সিজেন যোগাচ্ছে দিল্লিকে।
