
কলকাতা, ১ জুন: অধিনায়ক ধোনির ক্যাবিনেটে কোন ট্রফিটা নেই। সব ট্রফিই রয়েছে ধোনির ক্যাবিনেটে। এরপরেও ধোনি সবচেয়ে সফল ক্রিকেট অধিনায়ক কি না, তা নিয়ে এখনো চলছে বিস্তর আলোচনা। ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী লঘ্নেই শিরোপা ভারত জিতেছিল জোহানেসবার্গে পাকিস্তানকে হারিয়ে তাঁর অধিনায়কত্বে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৫ রানের রুদ্ধশ্বাস জয়ে ধোনির ক্রিকেট মস্তিষ্কের প্রশংসা শোনা যায় আজও। ২০১০ সালের এশিয়া কাপ ভারত জিতেছিল এই মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বই।
এক বছর পর ২০১১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ। সেবার ওয়াঙখেড়ে স্টেডিয়ামে ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত-শ্রীলঙ্কা। সেবার ফাইনালে নুয়ান কুলাসেকারাকে ধোনির ছক্কা মারার পরই ধারাভাষ্যকার রবি শাস্ত্রী বলে উঠলেন, ‘ধোনি ফিনিশেস অব ইন স্টাইল। ইন্ডিয়া লিফট দ্য ওয়ার্ল্ড কাপ আফটার টোয়েন্টি এইট ইয়ার্স।’ ২৮ বছর পর ধোনির নেতৃত্বে ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয় সারা ভারত ভেসেছিল আনন্দের জোয়ারে।
এরপর মাঝে কেটে গেছে দুটো বছর। এজবাস্টনে ধোনির নেতৃত্বাধীন ভারত এবার ২০১৩-এর চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল ইংল্যান্ডের। স্বাগতিকদের হারিয়ে এই টুর্নামেন্টও ধোনির নেতৃত্বে ভারত জিতেছিল। আইসিসি ইভেন্ট, এশিয়া কাপ—এই চক্র আবার পূরণ হয় ২০১৬ সালে। এবার এশিয়া কাপ হয় টি-টোয়েন্টি সংস্করণে। মিরপুরে বাংলাদেশকে কাঁদিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ধোনির নেতৃত্বে ভারত। এ ছাড়া ভারত-অস্ট্রেলিয়া বিখ্যাত বোর্ডার গাভাস্কার ট্রফি ধোনির নেতৃত্বে ভারত জিতেছে তিনবার। এতো গেল ভারতীয় ক্রিকেটে ধোনির জয়জয়কার। এরপর চেন্নাই সুপার কিংসকে তো ধোনির ‘সেকেন্ড হোম’ বলাই যায়। চেন্নাই এবার নিয়ে পাঁচবার আইপিএল জিতল তাঁর অধিনায়কত্বেই।
এক নজরে ধোনির অধিনায়কত্বে যত শিরোপা জয়:
ভারতের হয়ে শিরোপা:
ওয়ানডে বিশ্বকাপ: ২০১১
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: ২০০৭
চ্যাম্পিয়নস ট্রফি: ২০১৩
এশিয়া কাপ: ২০১০, ২০১৬
বোর্ডার গাভাস্কার ট্রফি: ২০০৮, ২০১০, ২০১৩
চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে শিরোপা:
আইপিএল: ২০১০, ২০১১, ২০১৮, ২০২১, ২০২৩
চ্যাম্পিয়নস লিগ: ২০১০, ২০১৪
