Breaking News
 
Abhishek Banerjee: জন্মদিনের মধ্যরাতে অভিষেকের বাড়ির সামনে উত্তেজনা, ‘চোর’ স্লোগান ঘিরে সংঘর্ষ! ভোর পর্যন্ত বাড়ির বাইরে সাংসদ Bihar Encounter: বিহারে পুলিশের সঙ্গে দুষ্কৃতীদের গুলির লড়াই; নিহত ৩ দুষ্কৃতী, আহত এক পুলিশ আধিকারিক HC on KMC Elections: কলকাতা পুরসভার নির্বাচনী নির্ঘণ্ট জারিতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ হাই কোর্টের CM Suvendu Adhikari: ‘কাজ বন্ধ করলে জেলে ঢোকাব’, ধর্মঘট ও শ্রমিক বিক্ষোভ নিয়ে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর CM Suvendu Adhikari: ‘জমিদাতাদের মান্যতা দেবে সরকার’, জমি অধিগ্রহণ নিয়ে বড় বার্তা শুভেন্দুর, বিঁধলেন বাম-তৃণমূলকে CM Suvendu Adhikari: ‘তোলাবাজি করলে ১৫ মিনিটেই গ্রেপ্তার’, শিল্পপতিদের অভয় দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

 

Myanmar's Rakhine:‘অবিলম্বে মায়ানমার ছাড়ুন’,ভারতীয়দের মায়ানমার ছাড়তে বলল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

Rakhine in restive Myanmar
Rakhine in restive Myanmar

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ পড়শি দেশে বাড়ছে উত্তেজনা। দেশের অন্দরেই সেনাবীহিনীর সঙ্গে বিরোধ, সংঘর্ষে কার্যত ভেঙে পড়েছে মায়ানমারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ভারত, বাংলাদেশে বাড়ছে অনুপ্রবেশ। সেনা ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সংঘর্ষের হাত থেকে বাঁচতে সীমান্তে ভিড় জমাচ্ছেন মায়ানমারের নাগরিকরা। এই পরিস্থিতিতে এবার ভারতীয়দের জন্য সতর্কবার্তা জারি করা হল। কেন্দ্রীয় বিদেশ মন্ত্রকের তরফে ভারতীয় নাগরিকদের অবিলম্বে মায়ানমাপের রাখিনে ছাড়তে বলা হল।

মায়ানমারের রাখাইনে হিংসার ঘটনা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গেই ভারতের নাগরিকদের জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। বিদেশ মন্ত্রকের জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‘রাখাইনে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। ল্যান্ডলাইন-সহ গোটা টেলি যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত ধ্বংস হয়ে পড়েছে। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের অভাবের কারণে চাহিদা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় নাগরিকদের রাখাইনে ভ্রমণ করতে নিষেধ করা হচ্ছে।’’

সেই সঙ্গে আরও বলা হয়েছে, ‘‘যে সব ভারতীয় নাগরিক ইতিমধ্যেই রাখাইনে রয়েছেন, তাঁদের অবিলম্বে ওই রাজ্য ছাড়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।’’ পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে ওঠার আগেই দেশের নাগরিকদের নিরাপদে ভারতে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে উদ্যোগী হয়েছে মোদী সরকার।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই মায়ানমারে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে বার বার বিদ্রোহ হয়েছে। গত বছরের অক্টোবর থেকে সশস্ত্র জাতিগোষ্ঠী এবং মায়ানমারের সেনাবাহিনীর মধ্যে তীব্র লড়াই শুরু হয়েছে। নভেম্বর থেকে সে দেশের তিন বিদ্রোহী গোষ্ঠী— ‘তাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি’ (টিএনএলএ), ‘আরাকান আর্মি’ (এএ) এবং ‘মায়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স আর্মি’ (এমএনডিএএ)-র নয়া জোট ‘ব্রাদারহুড অ্যালায়্যান্স’ সামরিক জুন্টা সরকারের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে।

তার পর থেকেই ভারতের সীমান্তবর্তী মায়ানমারের বেশ কয়েকটি অঞ্চল অশান্ত হয়ে উঠেছে। যার প্রভাব মণিপুর এবং মিজোরামের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় পড়েছে। যা ভারতের কাছে অন্যতম মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মায়ানমারের সামরিক বাহিনী তার বিরোধীদের লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালাচ্ছে। জানা গিয়েছে, রাখাইন রাজ্যের রামরি শহরের রামরি বিমানঘাঁটি থেকেই হামলার ছক কষা হচ্ছে। দেশের পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে, তা নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন মায়ানয়ারের সাধারণ মানুষ। প্রাণ বাঁচাতে এক প্রদেশ থেকে আর এক প্রদেশ ছুটে বেড়াচ্ছেন তাঁরা।


শেয়ার করুন:

You might also like!

    লোড হচ্ছে…