
পাটনা, ২ অক্টোবর : বিহারে জাতগণনার সমীক্ষা সোমবার প্রকাশিত হয়েছে। জাতগণনার সমীক্ষা অনুযায়ী, ওবিসি, ইবিসি একত্রে মোট জনসংখ্যার ৬৩ শতাংশ। বিহারের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব বিবেক কুমার সিং এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছেন, "বিহারে পরিচালিত জাতভিত্তিক গণনার রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। বিহারে অনগ্রসর শ্রেণী ২৭.১৩ শতাংশ, অত্যন্ত অনগ্রসর শ্রেণী হল ৩৬.০১ শতাংশ, সাধারণ শ্রেণী হল ১৫.৫২ শতাংশ। বিহারের মোট জনসংখ্যা ১৩ কোটিরও বেশি।
জাতগণনার সমীক্ষা প্রকাশিত হওয়ার পর সমগ্র টিমকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। তিনি এক্স মাধ্যমে জানিয়েছেন, "গান্ধী জয়ন্তীর শুভক্ষণে বিহারে পরিচালিত জাতভিত্তিক আদমশুমারির তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। জাতভিত্তিক গণনার কাজে নিয়োজিত সমগ্র দলকে অনেক অভিনন্দন। জাতি-ভিত্তিক গণনার প্রস্তাব বিধানসভায় সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।"
অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রীয় জনতা দলের প্রধান লালু প্রসাদ যাদব। তিনি বলেছেন, "গান্ধী জয়ন্তীতে আমরা সবাই এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হয়েছি। বিজেপির বহু ষড়যন্ত্র, আইনি বাধা এবং সমস্ত ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও বিহার সরকার জাত ভিত্তিক সমীক্ষা প্রকাশ করেছে। এই পরিসংখ্যান বঞ্চিত, অবহেলিত ও দরিদ্রদের সঠিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য সামগ্রিক পরিকল্পনা প্রণয়নে এবং জনসংখ্যার অনুপাতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে প্রতিনিধিত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি উদাহরণ তৈরি করবে।"
এদিকে, জাতগণনার সমীক্ষা প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং বলেছেন, জাতভিত্তিক শুমারি রাজ্যের দরিদ্র ও জনসাধারণের মধ্যে ''ভ্রম'' ছড়িয়ে দেওয়া ছাড়া আর কিছুই করবে না। তাঁদের রিপোর্ট কার্ড দেওয়া উচিত ছিল, নীতীশ কুমার ১৮ বছর রাজ্য শাসন করেছেন এবং লালু যাদব ১৫ বছর রাজ্য শাসন করেছেন, কিন্তু রাজ্যের উন্নয়ন করেননি।" আবার বিহার বিজেপির রাজ্য সভাপতি সম্রাট চৌধুরী বলেছেন, "এটি একটি অসম্পূর্ণ রিপোর্ট, সাম্প্রদায়িক অশান্তি ছড়ানো লালুজির অভ্যাস।"
