Breaking News
 
RG Kar case : আর জি কর মামলায় মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা, সাসপেন্ড বিনীত গোয়েল ও আরও ২ পুলিশ আধিকারিক Mamata Banerjee And suvendu Adhikari:‘খতিয়ে দেখা হবে’,আর জি কর মামলায় মমতাকেও তদন্তের আওতায় আনার ইঙ্গিত শুভেন্দুর Suvendu Adhikari :জেলের ভিতরে স্মার্টফোন কাণ্ডে তোলপাড়, প্রেসিডেন্সির সুপার সাসপেন্ড, ‘ঘুঘুর বাসা’ ভাঙার বার্তা WB budget session :১৮ জুন থেকে বাজেট অধিবেশন, জনমুখী প্রকল্পে বড় ঘোষণার জল্পনা তুঙ্গে Rahul Gandhi’s foreign trips :বিদেশ সফর নিয়ে রাহুলকে আক্রমণ বিজেপির, কংগ্রেসের দাবি ‘আসল ইস্যু থেকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা’ Janatar Darbar :যোগী মডেলে বাংলায় ‘জনতার দরবার’, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

 

West Bengal

2 years ago

Lakshmir Bhandar:২ বছর ধরে পুরুষের অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা, ফাঁস হতেই প্রশ্ন

Lakshmir Bhandar
Lakshmir Bhandar

 

কোচবিহার, ৩ অক্টোবর  : পুরুষ হয়েও পেয়ে চলেছেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। তাও প্রায় দু বছর ধরে ! এই ভয়ঙ্কর অভিযোগ সোমবার প্রকাশ্যে ওঠার পর লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে বিতর্ক মাথা চাড়া দিয়ে উঠল। মাথাভাঙ্গার পচা ঘর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা মনোরঞ্জন দের অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মীর ভান্ডারের এক হাজার টাকা করে ঢোকে।

কোচবিহারের মাথাভাঙার এই কৃষকের অ্যাকাউন্টে গত ২ বছর ধরে জমা পড়েছে মহিলাদের জন্য রাজ্য সরকারের প্রকল্পের টাকা। সম্প্রতি গ্রামীণ ব্যাঙ্কে পাসবুক আপডেট করাতে যান মাথাভাঙার পচাগড় গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা মনোরঞ্জন দে। তখনই বিষয়টি ধরা পড়ে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা তাঁর অ্যাকাউন্টে কীভাবে জমা পড়েছে তা ভেবেই পাচ্ছেন না ওই কৃষক। টাকা ফেরত দিতে চেয়ে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগও করেছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন মাথাভাঙা ১ নম্বর ব্লকের বিডিও।এটা কি নিছকই কোনও ভুল, না কৌশলে টাকা যাচ্ছিল তা বোঝার চেষ্টা করছে প্রশাসন।

একুশের বিধানসভা ভোটের আগে এই প্রকল্প চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্ষমতায় এসে তা চালু করেন তিনি। ২০২১ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে রাজ্যে চালু হয় এই প্রকল্প। ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী মহিলারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পেতে আবেদন করতে পারেন। অনলাইনের পাশাপাশি, দুয়ারে সরকার প্রকল্পেও এজন্য আবেদন করা যায়। জেনারেল ক্যাটিগরির পরিবারের কর্ত্রীকে মাসিক ৫০০ টাকা এবং তফসিলি জাতি ও উপজাতি পরিবারের কর্ত্রীকে প্রতি মাসে ১ হাজার টাকা করে দেওয়া হয় । অর্থাৎ, যোগ্য জেনারেল কাস্ট পরিবার বছরে ৬ হাজার টাকা ও তফশিলি জাতি, উপজাতি এবং ওবিসি পরিবার বছরে ১২ হাজার টাকা করে পেয়ে থাকে। এই প্রকল্পের টাকা সরাসরি উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে চলে যায়। সেক্ষেত্রে কোনও রকম চিন্তার বিষয় নেই। সুবিধাভোগী যখন ইচ্ছে তার টাকা তুলতে পারে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে। ইচ্ছে করলে মাসিক তোলা যায় কিংবা সেই টাকা জমা করে একবারে তোলা যায়। কিন্তু কোনওভাবে পুরুষরা এই সুবিধে পেতে পারেন না।

You might also like!