
হাওড়া, ১ এপ্রিল : শনিবারও শিবপুরের একাধিক এলাকা থমথমে। রাফ-এর টহল, পুলিশি ধড়পাকড়ের মাঝেই সাধারণ জীবনে ফেরার চেষ্টায় স্থানীয় রয়েছে কাজিপাড়া। শনিবার এলাকা খতিয়ে দেখেন গোয়েন্দা দফতরের আধিকারিকরা। তদন্তের নেতৃত্বে ছিলেন আইজি সিআইডি (ওয়ান) বিশাল গর্গ ও ডিআইজি সিআইডি (অপারেশন) সুখেন্দু হিরা। তাঁরা নিজস্ব আলোকচিত্রী নিয়ে এলাকায় ঘুরছেন। স্থিরটিত্র তোলার পাশাপাশি চলছে ভিডিয়োগ্রাফি। ড্রোন উড়িয়ে ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নোট নিচ্ছেন সমস্ত কিছুর। ক্ষতিগ্রস্ত দোকান পরিদর্শন করেন তদন্তকারীরা।
বেশ কিছু দোকানপাটও খোলা হয়েছে এদিন। ইন্টারনেট পরিষেবা কয়েকটি জায়গায় কিছুটা স্বাভাবিক। এদিন এলাকা ঘুরে দেখেন হাওড়া সদরের পুলিশ কমিশনার প্রবীণ ত্রিপাঠী। তিনি জানান, “অশান্তির ঘটনায় ৩৮ জনকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে। আশেপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারার ঘোষণা করছি। পুলিশ এলাকায় টহল দিচ্ছে।মানুষের মধ্যে যাতে আত্মবিশ্বাস ফিরে আসে তার চেষ্টা চলছে। পরিস্থিতি যাতে পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে যায় সেই চেষ্টা হচ্ছে। সমস্ত মানুষের সঙ্গে আমরা কথা বলছি। বাড়ি বাড়ি যাচ্ছি। অনেক আত্মবিশ্বাস তাঁদের বেড়েছেন।”
প্রসঙ্গত, হাওড়ার ঘটনা নিয়ে আগেই বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, রামনবমীর জন্য নির্ধারিত রাস্তায় না গিয়ে অন্য রাস্তা ধরে যায় মিছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তীব্র আক্রমণ, '‘বারবার একই চেষ্টা হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবে রামনবমীর মিছিল করুন, বারবার বলেছি। আমাদের দলকেও তাই বলা ছিল। একদিকে অন্নপূর্ণ পুজো, অন্যদিকে রমজান চলছে। তাই সবাইকে বলা ছিল। কিন্তু বাইরে থেকে গুণ্ডা এনে ঝামেলা তৈরির চেষ্টা করেছে। মিছিল করতে কোনও বাধা দেওয়া হয়নি, কিন্তু তরোয়াল নিয়ে বুলডোজার নিয়ে মিছিল করার অনুমতি কে দিয়েছে? হাওড়ার মিছিলে বুলডোজার ব্যবহার করেছে খবর পেয়েছি।'’
