Breaking News
 
School Education Department: শিক্ষক দিবসেই শিক্ষকের গায়ে হাত! প্রধান শিক্ষককে মারধরের ভিডিও ভাইরাল, অ্যাকশনে স্কুলশিক্ষা দপ্তর Raghav Chadha: বিজেপিতে যোগের পরেই ‘বিতাড়িত’! ভোটের মুখে পাঞ্জাবের তালিকা থেকে বাদ রাঘব, নাম উঠল দিল্লিতে Jadavpur Gerua Michil: ‘গেরুয়ার সম্মানে’ রাজপথে সন্ন্যাসীরা! যাদবপুরের মিছিলের নেতৃত্বে শুভেন্দু Abu Taher: নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন ঘিরে তৃণমূলে ফের কোন্দল, মমতাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ আবু তাহেরের Ritabrata TMC: জোড়াফুলের অপেক্ষা, বিকল্পে নির্দল! নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে লড়াইয়ের প্রস্তুতি ঋত শিবিরের Abhishek Banerjee PA: ১৫ কোটির লেনদেন সুমিতের অ্যাকাউন্টে! সুপ্রিম কোর্টে অভিষেকের আপ্তসহায়ককে নিয়ে বিস্ফোরক দাবি রাজ্যের

 

Video

1 year ago

Hindustan Cables | হিন্দুস্থান কেবেলস চত্বরে চার সদস্যের সিআরপিএফ দল, উঠে এল নানা প্রশ্ন

 

দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা হিন্দুস্তান কেবলস কারখানা পরিদর্শনকরতে এলেন কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনীর (সিআরপি) একটি বিশেষ দল। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ পড়ে থাকা হিন্দুস্থান কেবেলস কারখানা পরিদর্শনে এলেন কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনীর (সিআরপি) একটি বিশেষ দল। বুধবার সকালে এই দলের মধ্যে ডিআইজি পদমর্যাদার একজন আধিকারিকের নেতৃত্বে চার সদস্যের এই দল পুরো কারখানা চত্বর ঘুরে দেখেন। আর এই পরিদর্শন ঘিরে এলাকায় কৌতুহল ছড়িয়ে পরে ।অনেকের মনে ভয়ের আশঙ্কাও দেখা দেয়।বিশেষ করে যেসকল কোয়ার্টার গুলি বেদখল হয়ে রয়েছে তাদের মনে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে ।তবে, সাংবাদিকদের এড়িয়ে পরিদর্শন করতে আসা কেন্দ্রীয় দলের কোন আধিকারিক কোনো মন্তব্যই করেননি, যা নিয়ে এলাকার মানুষের মনে কৌতূহল ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এবিষয়ে হিন্দুস্থান কেবলস পূর্ণবাসন সমিতির সভাপতি সুভাষ মাহাজন জানিয়েছেন, “প্রতিবার ভোটের মরশুম এলেই কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলো এখানে পরিদর্শনে আসে।কিন্তু কিছুই হয়না । তবে আমাদের একটাই দাবি—এই জায়গায় নতুন শিল্প স্থাপন করা হোক। শিল্প এলেই এলাকার সাধারণ মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।” হিন্দুস্তান কেবলস, যা একসময় শিল্পের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম ছিল, বহু বছর ধরে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। তবুও, যখনই কোনো পরিদর্শনের খবর ছড়ায়, স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে আশার আলো জ্বলে ওঠে। এলাকার যুবক-যুবতীরা নতুন শিল্পের স্বপ্ন দেখেন, যা তাদের জন্য চাকরির সুযোগ নিয়ে আসতে পারে। কিন্তু বারবার পরিদর্শনের পরও কোনো সুস্পষ্ট ফলাফল না পাওয়ায় মানুষের মনে হতাশার ছায়াও পড়েছে। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “যখনই শুনি কেউ পরিদর্শনে এসেছে, মনে হয় এবার হয়তো কিছু হবে। কিন্তু প্রতিবারই আশা ভঙ্গ হয়। তবুও আমরা হাল ছাড়িনি।” এলাকার মানুষের এই অপেক্ষা ও আকাঙ্ক্ষা যেন এক অধরা স্বপ্নের মতো। পরিদর্শনের পর কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা নিয়ে কোনো স্পষ্ট তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি। হিন্দুস্তান কেবলসের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়ে স্থানীয়দের মনে উৎকণ্ঠা থাকলেও, তারা এখনও আশাবাদী। নতুন শিল্পের সম্ভাবনা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগের প্রত্যাশায় তারা অপেক্ষা করে আছেন। সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কবে এই অপেক্ষার অবসান ঘটাবে, সেটাই এখন এলাকার সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

You might also like!