Breaking News
 
Ram Mandir Trust New CEO: রামমন্দির ট্রাস্টের প্রথম সিইও অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল জিতেন্দ্র মিশ্র, ‘সিঁদুর’ পর্বে ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা Durga Puja 2026: মহালয়ার দিন ইডেনে চমক! উমা আগমনী অনুষ্ঠানে মোদিকে ঘিরে জল্পনা CM Suvendu Adhikari: নেশামুক্তির বার্তা শুভেন্দুর, রোড রোলারে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল ২ লক্ষ ফেনসিডিলের শিশি UP assembly election: পুরনো মনোমালিন্য ভুলে ‘হাত’ ধরলেন অখিলেশ! উত্তরপ্রদেশে বিজেপিকে ঠেকাতে নতুন সমীকরণ Election Commission: ভোট-পরবর্তী হিংসা রুখতে ভোটগণনায় বদল? ‘টোটালাইজার’ নিয়ে কেন্দ্রের মত চাইল সুপ্রিম কোর্ট Rising Seas, Rising Stakes: বিশ্ব উষ্ণায়নে বাড়ছে সমুদ্রের জলস্তর, বড় বিপদের মুখে কলকাতা-মুম্বই! সতর্কবার্তা রাষ্ট্রসংঘের

 

kolkata

3 years ago

MLA Jeevan Krishna Saha : টাকা ফেরত চাওয়ায় হুঁশিয়ারিও দিয়েছিলেন বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা

Jiban Krishna Saha (File Picture)
Jiban Krishna Saha (File Picture)

 

কলকাতা, ৮ আগস্ট  : নিয়ম ভেঙে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস নিয়ে টাকা নিয়েছিলেন। চাকরি না হওয়ায় টাকা ফেরত চান। অভিযোগ, সেই সময় তাঁকে গ্রেফতারির হুঁশিয়ারিও দিয়েছিলেন বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। এক চাকরীপ্রার্থীর সঙ্গে বিধায়কের চ্যাট প্রকাশ্যে এনে এমনই দাবি করল সিবিআই।

জীবনকৃষ্ণ সাহাকে গ্রেফতারির সময় চর্চায় চলে এসেছিল তাঁর মোবাইল। কারণ, সিবিআই জেরা চলাকালীন নিজের মোবাইল পুকুরে ফেলে দিয়েছিলেন বিধায়ক। তা নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। পুকুরের জল সরিয়ে ফোন উদ্ধার করেছিল সিবিআই। পরে সেই ফোন পাঠানো হয় তদন্তের জন্য।

এবার প্রকাশ্যে এল এক চাকরিপ্রার্থীর সঙ্গে বিধায়কের চ্যাট। কী রয়েছে সেই চ্যাটে? সেখানে দীপক নামে এক চাকরিপ্রার্থীর সঙ্গে কথা বলছিলেন বিধায়ক। দীপক চাকরির জন্য টাকা দিয়েছিলেন। চাকরি বাতিল হয়ে যাওয়ায় ১২ লক্ষ টাকা ফেরত চান।

জীবনকৃষ্ণ বলেন টাকা ফেরত দেবেন। প্রথমে ৬ লাখ, পরে বাকিটা। দীপক পালটা জিজ্ঞেস করেন, পরে কবে? জীবনকৃষ্ণ জানান, দেখে নিচ্ছেন, জমি বিক্রির চেষ্টা চলছে। এরপরই দীপক নির্দিষ্ট একটা সময় জানতে চান। বলেন, এক সঙ্গে ফেরতে কথা ছিল। তখনই কড়া ভাষায় জবাব দেন বিধায়ক।

জীবনকৃষ্ণ সাহা বলেন, “একবারে দেব বলেছিলাম। সবাইকে অর্ধেক করে দিচ্ছি। তোমারটা এমন কিছু নয়। তুমি ১২ দিয়েছ। একজন ১৭ পাবে। তাকে ৭ দিতে হবে। আসানসোল, সিউড়ি থেকে ১৭-১৮ করে সবাই দিয়েছিল। বেশি খিটমিট করলে কিছুই দেব না। যা পারবে করে নেবে।”

এখানেই শেষ নয়, তিনি আরও বলেন, “আমিই একমাত্র টাকা ফেরত দিচ্ছি। আর তো ওপরে কেউই দেয় না। আমি পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছি। পুলিশ বলেছে আপনি তো টাকা নিতে যাননি। আপনার বাড়ি এসে টাকা দিয়ে গিয়েছে। আপনি চুপচাপ বসে থাকুন। এই নিয়ে বার বার ফোন করবে না। তাহলে অ্যারেস্ট হয়ে যাবে।” এই চ্যাটেই পরিস্কার যে নিয়োগ দুর্নীতিতে বড় ভূমিকা ছিল তাঁর।


You might also like!