
কলকাতা, ২ আগস্ট : হিন্দু-মুসলিম বিভাজন নিয়ে বলপ্রয়োগের আবশ্যিকতার কথা লিখেছেন প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়।বুধবার তিনি টুইটারে লিখেছেন, “হিন্দু-মুসলিম বিভাজন নিয়ে এক দীর্ঘ রাজনৈতিক ন্যাকামির পরিচ্ছেদ এবার শেষ করার সময় এসেছে। এই বিভাজন সত্য এবং বলপ্রয়োগ ছাড়া মিটবার নয়। না হলে পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুদের অবস্থা খুব শীঘ্রই কাশ্মীরী হিন্দুদের মতো হবে। একথা বুঝেছেন যোগী আদিত্যনাথ ও হিমন্ত বিশ্বশর্মা।
বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, “বাংলায় হিন্দু এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করছে মমতা ব্যানার্জি এবং তার দলবল।“ তার প্রেক্ষিতে ওই মন্তব্য তথাগতবাবুর।
এর প্রেক্ষিতে তথাগতবাবু টুইটারে লিখেছেন, “তা তো করবেই, কারণ মুসলিমরা যে দিদিমার দুধেল গাই ! কিন্তু মুসলিম স্বার্থ পশ্চিমবঙ্গে দেখার জন্য বহু পার্টি আছে, হিন্দুস্বার্থ দেখার জন্য শুধু বিজেপি আছে। এই হিন্দুস্বার্থ দেখার ব্যাপারটাতে কোনো ‘ডিল্যুশন’ হলে বাঙালি হিন্দুর সর্বনাশ তো বটেই, বিজেপিও পশ্চিমবঙ্গ থেকে উৎখাত হয়ে যাবে।“
তথাগতবাবু লিখেছেন, “এইজন্যই ন্যাকামি বলি। বীজ রোপণ হয়েছিল চোদ্দশো বছর আগে, সেই বীজের ফল খেয়ে পূর্ববাংলার সোয়া কোটি হিন্দু পথের ভিখারী হয়েছিল। যারা এখনো সেদেশে পড়ে আছে তাদের উঠতে বসতে শুনতে হয়, “মালাউনের বাচ্চা, ইন্ডিয়ায় যা গিয়া”। তবু এপারের বাঙালি হিন্দু ন্যাকামি করেই চলেছে।”
রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের বরিষ্ঠ প্রচারক প্রনম্য কেশবজীর ছবি-সহ তথাগতবাবু টুইটারে লিখেছেন, “নিবেদিতপ্রাণ মানুষটি নিজের দেশ মহারাষ্ট্র ছেড়ে এই পশ্চিমবঙ্গে এসে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের কাজে নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন। এঁর কাজের ফলেই আজকে বাঙালি হিন্দু নিজেদের আসন্ন সর্বনাশের আভাস পেয়েছে। এঁর সঙ্গে স্মরণ করি শ্রীকৃষ্ণ মতলগ, রামপ্রসাদ দাস প্রমুখ প্রচারকদের। কেশবজী অমর রহে।”
