
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ রাজ্যের দুই সোনার দোকানে ডাকাতির আতঙ্কের রেস কাটতে না কাটতেই। এবার বাঁকুড়া শহর লাগোয়া কেশিয়াকোল এলাকায় দিনে দুপুরে শুট আউট। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার একটি বাইকে করে দু’জন দুস্কৃতী একটি চার চাকাকে গাড়িকে ধাওয়া করে। সেই সময় ওই গাড়িটিকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়তে শুরু করে দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনায় গাড়িতে থাকা তিন জন আহত হন। জানা গিয়েছে, গুলি চালাতে চালাতে দুস্কৃতীরা বাইকেই দুর্গাপুরের দিকে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী। তবে ঠিক কী কারণে ওই গাড়িকে লক্ষ্য করে গুলি করা হল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, এদিন বাঁকুড়া জেলা আদালতে জামিন পাওয়ার পর একটি ছোটো গাড়িতে চেপে চার জন বর্ধমানের দিকে যাচ্ছিলেন। কেশিয়াকোল হনুমান মন্দিরের কাছে তারা পৌঁছাতেই বাইকে চেপে আসা দুই বন্দুকবাজ তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুরুতর আহত হন ওই গাড়ির মধ্যে থাকা তিন জন। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, গুলিতে জখম হয়েছেন ৩ জন। পুলিশ সূত্রে খবর, মারুতি ভ্যানের ভিতর থেকে প্রচুর তৃণমূলের পতাকা, ফেস্টুন উদ্ধার হয়েছে। ফলে ঘটনার নেপথ্যে রাজনৈতিক কারণ থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে গাড়ির আরোহী তথা তৃণমূলের বর্ধমান জেলা আই.এন.টি.টি.ইউসি-র সম্পাদক নূর মোহাম্মদ শাহ রক্তাক্ত হয়ে যান। তিনি জানান ‘আমরা এদিক থেকে যাচ্ছিলাম। তখন এক বন্ধুর সঙ্গে কথা হয়। বন্ধুকেও গাড়িতে তুলে নিই। এর পর গাড়ি কিছুদূর এগোতেই গুলি চলতে থাকে।’ গাড়িটিতে ড্রাইভারসহ ৪ জন ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। বাঁকুড়া শহর থেকে দুর্গাপুরের অভিমুখে রওনা দিয়েছিলেন তাঁরা। গাড়িটিকে ধাওয়া করে একটি মোটরসাইকেল, যাতে দুজন বাইকের আরোহী ছিল। আচমকাই নীল ওই অল্টো গাড়িটিকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় বাইকে থাকা দুইজন আরোহী। ৬ রাউন্ড গুলি চলে বলে জানান গাড়িতে থাকা ব্যক্তিরা। গাড়িতে থাকা ড্রাইভার সহ তিন ব্যক্তির পেটে ও বুকে গুলি লাগে। আহত সব ব্যক্তিদের বাড়ি পূর্ব বর্ধমান জেলার গলসিতে। তবে কেন দুষ্কৃতীরা গুলি চালাল এবিষয়ে এখনও নিশ্চিত নয় পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
