
কোচবিহার, ৭ জুলাই : পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে কোচবিহারের বিভিন্ন স্থানে বোমাবাজি। উদ্ধার একাধিক তাজা বোমা । বৃহস্পতিবার রাতে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কোচবিহার-১ ব্লকের পাটছড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ১০৯ নম্বর বুথ। এলাকায় ব্যাপক বোমাবাজি চলে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এদিকে, ভোটের আগেরদিন উত্তপ্ত কোচবিহারের গুড়িয়াহাটি-১ নম্বর অঞ্চলের ৮/১৩০ নম্বর বুথ সাহেব কলোনি এলাকা।
নির্বাচনের একদিন আগে বোমাবাজিতে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কোচবিহার-১ ব্লকের পাটছড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ১০৯ নম্বর বুথ। বৃহস্পতিবার রাত ১টা থেকে প্রায় ভোর ৪টা পর্যন্ত এলাকায় ব্যাপক বোমাবাজি চলে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। শুক্রবার সকালে পুলিশ গিয়ে সেখান থেকে তিন-চারটি তাজা বোমা উদ্ধার করে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।
১০৯ নম্বর বুথের এসইউসিআই প্রার্থী প্রসেনজিৎ রায় বলেন, ‘রাত ১টা থেকে বোমাবাজি শুরু হয়। ভোর প্রায় ৪টা পর্যন্ত বোমাবাজি চলে। সব মিলিয়ে প্রায় ১০-১২টা বোমা ফাটার আওয়াজ পাওয়া গিয়েছে।’ প্রসেনজিৎ জানান, তাঁরা সকলেই আতঙ্কে রয়েছেন। এদিন সকালে পুলিশ গিয়ে সেখান থেকে তিন-চারটি তাজা বোমা উদ্ধার করেছে। শাসকদলের লোকেরাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ।
যদিও সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তৃণমূলের কোচবিহার-১ ব্লকের প্রাক্তন সভাপতি খোকন মিয়াঁ। তিনি বলেন, ‘এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই।’
এদিক, শুক্রবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কোচবিহারের গুড়িয়াহাটি-১ নম্বর অঞ্চলের ৮/১৩০ নম্বর বুথ সাহেব কলোনি এলাকা। বিজেপি কর্মী মিলন সূত্রধরের বাড়ির সামনে দুটি তাজা বোমা উদ্ধার হয়। এদিন সকালে বোমা দুটি পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর দেওয়া হয় কোতোয়ালি থানার পুলিশকে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিশ অনেক দেরিতে আসে। তাঁদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া তাঁরা ভোট দিতে যাবেন না। এলাকার বিজেপি প্রার্থীর স্বামী দীপঙ্কর দে বলেন, ভয় দেখাতে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই বোমা রেখে গিয়েছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল নেতা আব্দুল জলিল আহমেদ বলেন, ‘বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে ওই ঘটনা ঘটেছে।’ ঘটনার তদন্ত চলছে।
