West Bengal

2 years ago

Recruitment Scam : নামী ক্লাবের মাধ্যমে টাকার লেনদেন, মানিকপুত্রর বিরুদ্ধে অভিযোগ

Trinamool MLA Manik Bhattacharya, son Shauvik Bhattacharya
Trinamool MLA Manik Bhattacharya, son Shauvik Bhattacharya

 

কলকাতা, ১৫ সেপ্টেম্বর  : জেলবন্দি মানিকপু্ত্র শৌভিকের কলকাতা হাইকোর্টে জামিনের আবেদন শুক্রবার নাকচ হয়ে গেল। আদালতের এই পদক্ষেপ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে আইনজীবী মহলের একাংশ।

নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতারির মুখে পড়েন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি ও তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য। পরবর্তী সময়ে তৃণমূল বিধায়কের স্ত্রী শতরূপা ভট্টাচার্য ও পুত্র শৌভিক ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করে ইডি।

এদিন কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে শৌভিকের জামিনের আবেদন মামলার শুনানি ছিল। শুনানি চলাকালীন মানিকপুত্র শৌভিকের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর দাবি করেন ইডির আইনজীবী। ইডি-র তরফে আদালতে জানানো হয় শৌভিকের বিরুদ্ধে নতুন তথ্য পাওয়া গিয়েছে।

কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, শহরের একটি নামী ক্লাবের মাধ্যমে টাকার লেনদেন করতেন শৌভিক। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও সরাসরি যোগ রয়েছে মানিকপুত্রের। যদিও ইডির দাবিতে আপত্তি জানিয়েছেন শৌভিকের আইনজীবী। ইডির নথি থেকে পাওয়া এইসব তথ্যে আপত্তি জানিয়ে আদালতে হলফনামা দেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন তিনি।

শৌভিকের আইনজীবীর দাবি, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনও অভিযোগ নেই। হঠাৎ করে ক্লাব বা শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর জড়িত থাকার অভিযোগ আনছে ইডি। মানিকের স্ত্রীর প্রসঙ্গ উল্লেখ করে শৌভিকের আইনজীবী আরও বলেন, 'শৌভিকের মাকে আগেই তথ্য প্রমাণের অভাবে জামিন দিয়েছে আদালত। সেই কারণে তাঁকেও জামিন দেওয়া হয়।'

শুনানির পর মানিকপুত্রের জামিন মঞ্জুর না করলেও হলফনামা দেওয়ার আর্জি মঞ্জুর বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের। সোমবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

প্রসঙ্গত, অগাস্ট মাসেই নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত মানিক ভট্টাচার্যের স্ত্রী শতরূপার জামিন মঞ্জুর করে আদালত। ইডির আপত্তি সত্ত্বেও মানিক ঘরণীকে জামিন দেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। ১ লাখ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে তাঁকে জামিন দেওয়া হয়।

তবে জামিনের বিনিময়ে শতরূপার উপর একাধিক শর্ত চাপিয়েছে আদালত। তাঁকে পাসপোর্ট জমা রাখার নির্দেশে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তাঁর বিদেশযাত্রার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আদালত। একই সঙ্গে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে ইডি-র ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ।


You might also like!