Breaking News
 
Vivekananda Merit Scholarship :শিক্ষাক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ, মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের জন্য চালু হল বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ Chief Minister Suvendu Adhikari : র্নীতি ও কাটমানি খতিয়ে দেখতে কমিশন গড়লেন শুভেন্দু, সঙ্গে নারী নির্যাতন নিয়েও আলাদা কমিশন CM Suvendu Adhikari starts Janatar darbar : সল্টলেকে বিজেপি দফতরে শুভেন্দুর ‘জনতার দরবার’, জনতার সমস্যা শুনে মিলল স্বস্তি Suvendu Adhikary: “কাশ্মীরে বন্ধ হয়েছে, এখানেও হবে”—পার্ক সার্কাসে দাঁড়িয়ে শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি ,গ্রেফতার ৪০ Suvendu Adhikari :রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড়, আর জি কর ইস্যুতে স্বাস্থ্যসচিবকে জরুরি তলব মুখ্যমন্ত্রীর Annapurna Bhandar : অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার স্কিমে নতুন ঘোষণা, ১ জুন থেকেই ৩ হাজার টাকা পাবেন নির্দিষ্ট উপভোক্তারা

 

West Bengal

2 years ago

Matua temple is no one ancestral property, Abhishek: 'মতুয়া মন্দির কারও পৈতৃক সম্পত্তি নয়', শান্তনু ঠাকুরকে আক্রমণ অভিষেকের

Abhishek Banerjee (File Picture)
Abhishek Banerjee (File Picture)

 

বনগাঁ, ১১ জুন : নবজোয়ার কর্মসূচিতে রবিবার উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়ি গেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় । তবে মতুয়াদের দুই গোষ্ঠীর বিবাদে ঠাকুরবাড়ির মূল মন্দিরে ঢুকতে পারলেন না অভিষেক । যা নিয়ে নিজের ক্ষোভ উগড়ে দেন তৃণমূল সাংসদ । বলেন, ”মতুয়া মন্দির কারও পৈতৃক সম্পত্তি নয় । চাইলে ৫ মিনিটে মন্দিরে ঢুকতেই পারতাম।”

রবিবার সকাল থেকেই ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে অশান্তির বাতাবরণ ছিল। বেলা যত গড়িয়েছে, ততই মতুয়া সম্প্রদায়ের নিজেদের বিবাদে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বনগাঁর ঠাকুরবাড়ি ও মন্দির। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নবজোয়ার কর্মসূচি নিয়ে ঠাকুরনগর যাওয়ার আগেই তুমুল বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। মূলত গত ফেব্রুয়ারিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হরিচাঁদ-গুরুচাঁদ ঠাকুরের নাম বিকৃতভাবে উচ্চারণ করা নিয়ে সেসময় পথে নেমেছিলেন মতুয়ারা। অভিষেকের ঠাকুরবাড়ি আসা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ভুল উচ্চারণের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ফের বিক্ষোভ দেখান মতুয়াদের একাংশ। মতুয়ারা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে মন্দিরের মূল দরজা বন্ধ করে দেন। তাতে অভিষেক গিয়ে মূল মন্দিরে ঢুকতে পারেনননি। তিনি মন্দিরের বাইরে থেকে প্রণাম সেরে বেরিয়ে সোজা চলে যান ঠাকুরবাড়িতে। মতুয়া সম্প্রদায়ের বড়মা প্রয়াত বীণাপানি দেবীর ঘরে গিয়ে তাঁর মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানান। সেখানে বসে কিছুক্ষণ কথা বলেন।

এরপর বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ”আমাকে আটকাতে বিজেপি বদ্ধপরিকর। সকাল থেকে মন্দির ঘিরে রেখেছি। চাইলে ৫ মিনিটে মন্দিরে ঢুকতেই পারতাম। কিন্তু তা করিনি। মন্দির রাজনীতি করার জায়গায় নয়। এখানে কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল না আমার। হরিচাঁদ-গুরুচাঁদ ঠাকুরকে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছিলাম। আমার কর্মসূচি এখান থেকে দূরে, হাবড়ায়। এই মন্দির শান্তনু ঠাকুরের পৈতৃক সম্পত্তি নয়। মানুষের শ্রদ্ধা আর আবেগের জায়গা। যা করলেন ওঁরা, তার জবাব চাইবে মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষজন।”

অভিষেক ঘুরে চলে গেলে, গোবর-জল দিয়ে ঠাকুরবাড়ি এবং সংলগ্ন এলাকা শোধন করা হবে বলে আগেই জানিয়েছেন শান্তনু ঠাকুর। যা নিয়ে সুর চড়ান অভিষেক। বলেন, "মতুয়া মন্দির কারও পৈতৃক সম্পত্তি নয়। সকাল থেকে বিজেপির লোকেরা মন্দির ঘিরে রেখেছে। মতুয়া-মাটিকে কালিমালিপ্ত করা হচ্ছে। ধর্মকে সামনে রেখে রাজনীতি করছেন শান্তনু ঠাকুর, জবাব দেবে মানুষ। তিন মাস পর আবার আসব ঠাকুরবাড়িতে, পারলে ঠেকাবেন।"

এর আগে, অভিষেককেও একের পর এক আক্রমণ করেন শান্তনু ঠাকুর । এদিন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঠাকুরবাড়ি সফরের আগে নিরাপত্তার ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে উপস্থিত হয় রাজ্য পুলিশ। তা দেখেই ছুটে আসেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ ও ঠাকুর বাড়ির সদস্য শান্তনু ঠাকুর। "বাড়িতে পুলিশ কেন, অভিষেক কে", প্রশ্ন তোলেন তিনি। অভিযোগ, এর পর রাজ্য পুলিশের কর্মীদের সরিয়ে দেন শান্তনু। ঠাকুরবাড়িতে ভোটের আগে আসতেই বা হবে কেন, বলেও প্রশ্ন তোলেন তিনি। শান্তনু বলেন, "অভিষেক কে? কোন মন্ত্রী ও ? বাংলার মন্ত্রী না কেন্দ্রের? এত সাজগোজ হচ্ছে, মন্ত্রী এলেও হয় না, প্রধানমন্ত্রী যখন এসেছিলেন, তখনও হয়নি। ও কে? সাধারণ সাংসদ। ওর লোকসভায় এসব হোক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকলে, সাংসদ হিসেবে অভিষেক কে ? সূর্যের আলোয় চাঁদ যেমন আলোকিত হয়, ও তাই হয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে ও যেমন সাংসদ, আমিও সাংসদ। ভোটের আগে ঠাকুরবাড়িতে এই মুহূর্তে কী আছে ?"

You might also like!