
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে সিবিআইয়ের নজরে আসেন বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় বাড়ির পাশের এঁদো পুকুরে মোবাইল ছুড়ে ফেলেছিলেন তিনি।
র পর আড়াই দিন ধরে সেই পুকুরের সমস্ত জল বার করে চলে কাদা ঘাঁটা। উদ্ধার হয় দু’টি মোবাইল ফোন। বৃহস্পতিবার সেই পুকুরকে ‘শুদ্ধ’ করতে গিয়েই দফায় দফায় পুলিশি বাধার মুখে পড়তে হয় বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্তকে। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। পুকুর অবধি পৌঁছতে পারেনি বিজেপি।
এবার এই ঘটনার জেরে দায়ের হয়েছে এফআইআর।ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় দায়ের হয়েছে মামলা। সরকারি কর্মচারীকে কাজে বাধা দেওয়া, নারীর মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে আক্রমণেরও অভিযোগ রয়েছে। ইতিমধ্যেই এফআইআর ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। উল্লেখ্য,পুকুর অভিযানে ব্যর্থ হয়ে বৃহস্পতিবার বড়ঞা থানার বাইরে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি।
বিজেপির জেলা সভাপতি শাখারভ সরকার বলেন, ‘‘পুলিশ দলদাস থেকে তৃণমূলের ক্যাডারে পরিণত হয়েছে। একটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এ ধরনের আচরণ ও মামলা দায়ের নজিরবিহীনই শুধু নয়, ন্যাক্কারজনকও বটে।’’
এপ্রসঙ্গে মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার সুরিন্দর সিংহ জানিয়েছেন, যেখানে সভা করা হবে বলে অনুমতি নেওয়া হয়েছিল, সেখানে সভা হয়নি। অন্য একটি জায়গায় সভা করার পরিকল্পনা চলছিল। রাস্তায় ব্যারিকেড করে তাঁদের আটকানোর চেষ্টা করা হয়। তখন ওই রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতা-কর্মীরা পুলিশের উপর আক্রমণ চালান।
