
বোলপুর : প্রকৃত প্রাপকেরা পায়নি আবাস যোজনার বাড়ি, কারও আবার প্রকল্পের সম্পূর্ণ টাকাই একাউন্টে ঢোকেনি, কোনও কোনও বাড়িতে এদিন সকালেই নাকি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বোর্ড বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনই সব অভিযোগ উঠে এলে কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েতি রাজ দফতরের আধিকারিকদের সামনে৷ ক্ষোভ উগড়ে দিলেন গ্রামবাসীরা। এদিন, বীরভূম জেলার বোলপুর-শ্রীনিকেতন ব্লকের একাধিক গ্রাম ঘুরে আবাস যোজনায় দুর্নীতি হয়েছে কিনা তারই তদন্ত করে কেন্দ্রের প্রতিনিধি দল ৷ সঙ্গে ছিলেন রাজ্য সরকারের আধিকারিকেরা৷
এই রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার দুর্নীতি নিয়ে প্রথম থেকেই সরব কেন্দ্র সরকার থেকে শুরু করে বিজেপি। পালটা তৃণমূল ও রাজ্য সরকারের অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গ একশ দিনের কাজ থেকে শুরু করে আবাস যোজনায় কেন্দ্রীয় বঞ্চনার শিকার ৷ কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েতি রাজ দফততর থেকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আধিকারিকদের পাঠানো হয়েছে। সেই মত অন্যান্য জেলার পাশাপাশি এদিন বীরভূম জেলার বোলপুর-শ্রীনিকেতন ব্লকের রূপপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের লোহাপাড়া, বাহাদুরপুর, মোলডাঙা প্রভৃতি গ্রাম ঘুরে তদন্ত করেন আধিকারিকেরা। সঙ্গে ছিলেন বিডিও সত্যজিৎ বিশ্বাস।
কেন্দ্রীয় আধিকারিকদের সামনে গ্রামবাসীরা ক্ষোভ উগড়ে দেন ৷ কারও অভিযোগ প্রকৃতি প্রাপক হওয়া সত্ত্বেও মেলেনি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বাড়ি, ভাঙাচোরা মাটির বাড়িতেই বাস করছেন বহু মানুষ। কারও অভিযোগ, আবাস যোজনার সম্পূর্ণ টাকা উপভোক্তাদের একাউন্টেই ঢোকেনি ৷ অনেকের অভিযোগ, স্থানীয় তৃণমূল নেতারা তাদের কাছের লোকজনকে আবাস যোজনার বাড়ি পাইয়ে দিয়েছে। এছাড়া, গ্রামবাসীরা জানান এদিন সকালেই নাকি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বোর্ড বাড়ি বাড়ি লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের সামনে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন গ্রামবাসীরা।
প্রত্যেকটি বাড়িতে গিয়ে কথা বলেন কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েতি রাজ দফতরের আধিকারিকেরা। সঠিক ভাবে টাকা পেয়েছেন কিনা, দুর্নীতি হয়েছে কিনা ক্ষতি দেখেন তারা। তবে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সামনে কোন কথা বলতে চাননি আধিকারিকের।
