
কোচবিহার, ২৮ এপ্রিল : বিজেপির ডাকা বনধকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই ধুন্ধুমার কাণ্ড কোচবিহারে। বনধ সফল করতে শুক্রবার সকাল থেকেই বিজেপির নেতা, কর্মী ও সমর্থকরা শহরের বিভিন্ন জায়গায় মিছিল বের করেন। সকালে শহর সংলগ্ন দক্ষিণ খাগরাবাড়ি এলাকায় একটি গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে বনধ সমর্থনকারীদের বিরুদ্ধে।
কালিয়াগঞ্জে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে ১২ ঘণ্টার বন্ধ বিজেপির। বনধে মিশ্র প্রভাব উত্তরবঙ্গে। রায়গঞ্জে সরকারি বাস চললেও বেসরকারি বাস বন্ধ। রাস্তায় ছোট যানবাহন, টোটো চলছে। বাজারও খুলেছে। জলপাইগুড়িতে রাস্তাঘাট ফাঁকা। সরকারি বাসের চালকরা হেলমেট পরে বাস চালাচ্ছেন। পুলিশ রুট মার্চ করছে জলপাইগুড়ি শহরে। কিন্তু ধূপগুড়িতে বেসরকারি বাস চলাচল বন্ধ। চলছে পুলিশের টহল। বালুরঘাটে সরকারি বাস স্ট্যান্ড থেকে কোনও বাস বেরোয়নি। বাস স্ট্যান্ডে পিকেটিং করছেন বিজেপি সমর্থকরা।
এদিন সকালে বিজেপির জেলা সহ সভাপতি দীপা চক্রবর্তী ও দলের মহিলা মোর্চার জেলা সভানেত্রী অর্পিতা নারায়ণের নেতৃত্বে একটি মিছিল শহরের চাকির মোড়ে আসে। সেখানে উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার কয়েকটি বাস থামিয়ে গাড়ি থেকে যাত্রী নামিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি চালকদের তাঁরা শাসান বলে অভিযোগ। পাশাপাশি, চাকির মোড় এলাকায় খোলা থাকা বাজারটিও তাঁরা বন্ধ করে দেন। এই পরিস্থিতিতে চাকির মোড় এলাকায় কোচবিহার থেকে দিনহাটাগামী একটি সরকারি বাস এলে বনধ সমর্থনকারীরা পাথর ছুড়ে গাড়িটির কাঁচ ভেঙে দেন। এতে গাড়ি চালক রশিদুল হক কিছুটা জখম হন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে ডিএসপি চন্দন দাসের নেতৃত্বে একটি বিশাল পুলিশবাহিনী।
