West Bengal

3 years ago

Bikasharanjan Bhattacharya: কুন্তলের চিঠির পিছনে 'বাইরের কোনও হাত' রয়েছে বলে নিশ্চিত বিকাশরঞ্জন

Bikasharanjan Bhattacharya
Bikasharanjan Bhattacharya

 

কলকাতা, ১৩ এপ্রিল  : এসএসসি-র নিয়োগকাণ্ডে ধৃত কুন্তলের চিঠির পিছনে ‘বাইরের কোনও হাত’ রয়েছে বলে নিশ্চিত মামলাকারীদের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। চিঠির খসড়া বাইরের কেউ লিখেছেন বলেও বিকাশবাবুর দাবি।

বিকাশরঞ্জন আরও জানিয়েছেন, ওই চিঠির বিভিন্ন অংশ দেখে তিনি নিশ্চিত যে, তার পিছনে ‘বাইরের কোনও হাত’ রয়েছে। চিঠিতে লেখা হয়েছে ২১ মার্চ কুন্তলকে গ্রেফতার করে ইডি। অথচ গ্রেফতার করা হয়েছে ২১ জানুয়ারি। ২৯ মার্চ শহিদ মিনারে অভিষেকের সভার পরই এই চিঠি লেখার ঘটনা ঘটেছে বলে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন বিকাশরঞ্জন।

একাধিক বার কুন্তল দাবি করেছেন, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা জোর করে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক-সহ দলের শীর্ষ নেতাদের নাম বলানোর চেষ্টা করছে। তাঁকে চমকানো-ধমকানো, এমনকি ‘মিথ্যা মামলায়’ ফাঁসানোর ভয়ও দেখানো হচ্ছে। ওই একই কথাই চিঠিতে লিখেছেন কুন্তল। তাঁর দাবি, ‘‘২১ বছর জেল খাটানোর কথা বলা হচ্ছে। আমার স্ত্রীকে গ্রেফতার করবে বলছে। কিন্তু হাজার অত্যাচারের পরেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে কোনও মিথ্যা স্টেটমেন্ট (বয়ান) নিতে পারেনি।’’

কুন্তলের অভিযোগ, অভিষেকের নাম বলাতে না পেরে তাঁর উপর শারীরিক অত্যাচার করেছেন তদন্তকারীরা। চিঠিতে লেখা হয়েছে, ‘‘এত চেষ্টা করেও যখন আমার কাছ থেকে মিথ্যা কথা বার করতে পারল না, তখন শুরু হল শারীরিক অত্যাচার। আমার পেটের চামড়া বার বার টেনে ধরা হত। রোজ আমার পেটে যন্ত্রণা হয়। সেটা এসএমও জানেন।’’

চিঠিতে কুন্তলের আরও অভিযোগ, নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার পর তাঁকে ১৩ রাত জাগিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, জেরার সময় তিনি যা বয়ান দিতেন, তা না লিখে ইডির এক অফিসার নিজের বক্তব্য লিখে সই করতে বলতেন বলেও অভিযোগ করেছেন কুন্তল।

চিঠিতে তাঁর অভিযোগ, যে ঘরে জেরা করা হত, সেই ঘরে ক্যামেরা চলত বলে ওই ইডি আধিকারিক ‘চোখ পাকিয়ে ভয় দেখাতেন’। কুন্তল লিখেছেন, ‘‘ওই ঘর থেকে বেরোনোর পর আমি জানতাম, আমার কী হবে। তাই নিজের ইচ্ছের বিরুদ্ধে ভয় পেয়ে, পরিবারের ক্ষতির কথা ভেবে যা বলত, তাতেই সই করতাম।’’


You might also like!