Breaking News
 
Mamata Banerjee: ‘বিজেপির লুট ও গণতন্ত্র হত্যা’, আইপ্যাক অফিসে ইডি অভিযানের প্রতিবাদে মিছিলের ডাক মমতার Mamata Banerjee at I-PAC Office: 'মার্ডার অফ ডেমোক্রেসি',সল্টলেকে আইপ্যাক অফিসে তল্লাশি, বিজেপি সরকারকে কটাক্ষ মমতার Mamata banerjee: ‘আমাদের ভোটের স্ট্র্যাটেজি ছিনতাই করা হয়েছে’—ইডি হানার মধ্যে I-PAC দপ্তরে তোপ দাগলেন মমতা Mamata Banerjee: তল্লাশির আবহে প্রতীকের বাড়ি থেকে I-PAC, মুখ্যমন্ত্রীর গাড়িতে তোলা হল গুরুত্বপূর্ণ নথি ED Raid at I-PAC Office: সল্টলেক ও লাউডন স্ট্রিটে ইডির তল্লাশি, কয়লা পাচারের পুরনো মামলায় প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি TMC government initiatives:তিন কর্মসূচিতেই কেল্লাফতে? বিরোধীদের রুখতে নবান্নের হাতিয়ার এখন পরিষেবা আর ‘পাঁচালি’ প্রচারের কড়া নজরদারি

 

kolkata

1 week ago

Amit Shah: আগাম নির্বাচনের দামামা? ‘এপ্রিলে ভোট’—অমিত শাহের এমন দাবিতে তোলপাড় বঙ্গ রাজনীতি, কোন ম্যাজিকে ক্ষমতা দখল?

Amit Shah
Amit Shah

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ডঙ্কা কার্যত আজই বাজিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মঙ্গলবার কলকাতার ‘বঙ্গভূমি’ কেন্দ্রে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে শাহ স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসেই অনুষ্ঠিত হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গের ভাগ্য নির্ধারণী নির্বাচন।ভোটার তালিকায় নাম সংশোধন (SIR) নিয়ে তৃণমূলের ‘হয়রানি’র অভিযোগকে এক লহমায় উড়িয়ে দিয়ে শাহ এদিন গেরুয়া শিবিরের জয়ের রূপরেখা ও আত্মবিশ্বাসের কথা তুলে ধরেন।

২০১৪ থেকে ২০২৪ সালে বাংলায় বিজেপির রাজনৈতিক যাত্রাপথ তুলে ধরেন অমিত শাহ। তিনি জানান, ২০১৪-র ভোটে ১৭ শতাংশ ভোট এবং ২ টি আসন পায় বিজেপি। ২০২৬ বিধানসভায় ১০ শতাংশ এবং ৩ আসন। ২০১৯ লোকসভায় তা বেড়ে হয় ৪১ শতাংশ এবং ১৮ আসন। ২০২১-এর বিধানসভা ৩৮ শতাংশ এবং ৭৭টি আসন । ২০২৪ সালে ৩৯ শতাংশ ভোট এবং ১২ আসন। শাহের দাবি, ২০২৬ সালে বাংলায় ক্ষমতায় আসবে বিজেপি।

এদিন বাংলায় অনুপ্রবেশ নিয়ে কড়া বার্তা দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, “বাংলার সীমান্ত দিয়ে যে অনুপ্রবেশ হচ্ছে, তা শুধু বাংলার বিষয় নয়। পুরো দেশের নিরাপত্তার বিষয়। এমন মজবুত সরকার এখানে আনুন, যারা এখানে অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করে দেবে। শুধু মানুষ না একটি পাখিও যেন বাংলায় ঢুকতে না পারে।” এদিনের ভাষণের শুরুতেই বাঙালি আবেগ উসকে দেন শাহ। বলেন, “আজকের দিনে ১৯৪৩ সালে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু পোর্ট ব্লেয়ারে প্রথম বার স্বাধীন ভারতের পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। এটি খুব তাৎপর্যপূর্ণ দিন।”

ভোটার তালিকার সংশোধনী বা এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া নিয়ে যখন রাজ্য রাজনীতি উত্তপ্ত, ঠিক তখনই কলকাতা সফরে এসে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে চরম হুঁশিয়ারি দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মঙ্গলবার সল্টলেকের বিজেপি রাজ্য সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি স্পষ্ট করে দিলেন যে, কোনো চাপের কাছে নতিস্বীকার করবে না কেন্দ্র।

 এমনকী দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও কটাক্ষের সুরে প্রশ্ন তুলেছেন, ”ক’জন বাংলাদেশি, রোহিঙ্গার নাম পেলেন?” কিন্তু কলকাতায় শাহ বলছেন অন্য কথা। ফের তাঁর অভিযোগ, ”মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার নিজেদের ভোটব্যাঙ্ক বজায় রাখতে অনুপ্রবেশকারীদের বাধা দেয় না, তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয় না। আর এতে বিভিন্ন জায়গার জনবিন্যাস বদলে যাচ্ছে। সেদিকে নজর নেই। বিজেপি বেছে বেছে অনুপ্রবেশকারীদের দেশ থেকে তাড়াবে।” শাসক নেতাদের কণ্ঠে বারবার এই অভিযোগও শোনা গিয়েছে, সীমান্তে অনুপ্রবেশ আটকানোর দায়িত্ব বিএসএফের। আর সীমান্ত রক্ষা বাহিনী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে। তাহলে অনুপ্রবেশের জন্য রাজ্য সরকারকে দায়ী কেন করা হবে? মঙ্গলবার এর জবাবও দিলেন শাহ। তাঁর কথায়, ”সীমান্তে কাঁটাতার দিতে জমি প্রয়োজন। সেই জমি দিতে চায় না রাজ্য সরকার। বিএসএফকে যথাযথ পরিকাঠামো দিলে কবে তো তারা ঠিকমতো সীমান্ত রক্ষা করতে পারবে। জমি চেয়ে কেন্দ্র বারবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে চিঠি দিয়েছে, কিন্তু জমি পাওয়া যায়নি এখনও।” সেইসঙ্গে তিনি এও মনে করিয়ে দিলেন যে শুধু বাংলা কিংবা সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলিতে নয়, গোটা দেশেরই সমস্যা।  এই সমস্যার নির্মূল না হলে বড় বিপদের আশঙ্কা রয়েছে। আর বিজেপি তা রুখে দিতে সক্ষম। তাঁর বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট, অনুপ্রবেশ ইস্যু ছাব্বিশের নির্বাচনের বড় একটা ফ্যাক্টর। 

You might also like!