kolkata

2 years ago

Aliah University: আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএমসিপির সব নেতা এক যোগে পদ ছাড়লেন

Alia University (File picture)
Alia University (File picture)

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ  রাজ্য সংগঠনের পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের পর্যবেক্ষক মীর সিদ্দিকের বিরুদ্ধে দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সব নেতা এক যোগে পদত্যাগ করলেন। ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্ক সার্কাস এবং নিউ টাউন ক্যাম্পাসে টিএমসিপির পদাধিকারীরা যৌথ ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন সংগঠনের রাজ্য সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যকে। তৃণাঙ্কুর বলেন, ‘‘সব অভিযোগও খতিয়ে দেখা হবে।’’

প্রসঙ্গত, সংখ্যালঘু পড়ুয়াদের জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয় তৃণমূল জমানাতেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের দু’টি ক্যাম্পাস তৈরি হয়। তবে দীর্ঘ দিন ধরে নানা অচলাবস্থার অভিযোগ উঠছিল। অনেক দিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনও স্থায়ী উপাচার্য নেই। এর পরে সম্প্রতি রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস কেরলের অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস এম ওয়াহাবের নাম অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য হিসাবে ঘোষণা করেছেন। এরই মধ্যে প্রথম থেকেই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের দখল থাকা টিএমসিপিতে ভাঙন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউটাউন ক্যাম্পাসের টিএমসিপি সাধারণ সম্পাদক ওয়াদিল আলম বলেন, ‘‘আলিয়া মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু এখানে নানা অনিয়ম চলছে। লেখাপড়া তো হচ্ছেই না, তার সঙ্গে একের পর এক দুর্নীতি হয়ে চলেছে। সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে বারবার অভিযোগ জানিয়েও কাজ না হওয়ায় আমরা ইস্তফার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’’ এই প্রসঙ্গে তৃণাঙ্কুর বলেন, ‘‘এটা একেবারেই সংগঠনের অভ্যন্তরীণ বিষয়। আমরা খুব তাড়াতাড়ি নতুন কমিটি তৈরি করব। তবে আমরা নিশ্চিত যে, আলিয়ার পড়ুয়ারা আগের মতোই টিএমসিপির সঙ্গেই রয়েছে।’’ 

পদত্যাগীদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের গেট থেকে সাইকেল স্ট্যান্ড তৈরিতে দুর্নীতি হয়েছে। টেন্ডার ছাড়াই একজনকে হোস্টেলের খাবারের বরাত দেওয়া হয়েছে। তিনি নিম্মমানের খাবার দিলেও পড়ুয়ারা কিছু বলতে পারছেন না। এই সবের নেপথ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মীর সিদ্দিকির হাত রয়েছে বলেও দাবি। পদত্যাগপত্রেও এ সব উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, প্রশাসনিক বিভাগ থেকে শুরু করে ওয়েবকুপা, কারও সঙ্গে টিএমসিপির কোনও যোগাযোগ নেই। ফলে ছাত্রছাত্রীদের পরিষেবা দেওয়া যাচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যবেক্ষকের ব্যক্তিস্বার্থের মুখ্য প্ল্যাটফর্ম হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

এই প্রসঙ্গে তৃণাঙ্কুর বলেন, ‘‘যা যা অভিযোগ রয়েছে, সব খতিয়ে দেখা হবে। সংগঠনের জন্য যেটা ভাল, সেটাই হবে। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্যি হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।’’ তবে যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মীর সিদ্দিকি। তিনি বলেন, ‘‘আমি সংগঠনের স্বার্থেই যা করার করেছি। কোনও অন্যায় কাজের সঙ্গে আমি যুক্ত নই।’’ তাঁর বিরুদ্ধে অসামাজিক কাজকর্মের যে অভিযোগ উঠেছে তাকে অবশ্য গুরুত্ব দিতে চাননি সিদ্দিকি। 

You might also like!