
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃমায়ের মৃত্যু,বাবার কারাবাস - আর ঠিক এই অবস্থায় অনুব্রত কন্যা সুকন্যা গ্রেফতার হওয়ায় ওর প্রিয় বান্ধবী সুতপা পাল কান্নায় ভেঙে পড়ে। সুকন্যার সাথী হয়ে সুতপা গিয়েছিল দিল্লিতে। কিন্তু ভাবতেই পারে নি যে সুকন্যা গ্রেফতার হবে।
অনুব্রতকন্যা সুকন্যা এখন পুরোপুরি বিপর্যস্ত এবং অসহায়। এতটাই যে, এক বান্ধবী ছাড়া তাঁর পাশে দাঁড়ানোর কেউ নেই। বুধবার গ্রেপ্তার করার পর রাতেই দিল্লির রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে (RML Hospital) সুকন্যার স্বাস্থ্যপরীক্ষা করিয়েছে ইডি। বৃহস্পতিবার তাঁকে পেশ করা হবে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে। উদ্ভ্রান্ত ওর বান্ধবী সুতপা।
সুতপা গতকাল ইডির অফিসে গিয়ে ওর প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দিয়ে আসে। সুকন্যার অসহায়তার কথা সুতপা বার বার করে ইডির আধিকারিকদের বলেন। এই নিয়ে আক্ষেপের সুর শোনা গিয়েছে তাঁর গলাতেও। “মেয়েটার পাশে দাঁড়ানোর আর কেউ নেই। মা মারা গিয়েছে, বাবা জেলে। আমিই বা কী করে সাহায্য করব? নিজেরই চিকিৎসা করাতে পারি না।” বলতে বলতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন অনুব্রতর বান্ধবী। এই সুতপা আসলে সুকন্যার ছায়াসঙ্গী। ইডি হেফাজতেও তিনি পাশে থাকতে চান বান্ধবীর। বলছিলেন, ‘আমি শুধু ওঁর পাশে থাকতে চাই।’ সুতপা নিজের চোখের জল আটকাতে পারছে না।
ও আরো জানায়,বীরভূমের বাড়িতে থাকাকালীনও তাঁর মানসিক সমস্যার কথা শোনা গিয়েছিল। বাড়ির জিনিসপত্র ভাঙচুর থেকে শুরু করে নিজেকে সবকিছু থেকে বিচ্ছিন্ন করে নেওয়া, এসবই করতে দেখা গিয়েছে ওকে। আমি পাশে থেকে কিছুটা সামাল দিয়েছিলাম। এমনকী গ্রেপ্তারির দিন তিনেক আগে থেকে আইনজীবীদের সঙ্গেও যোগাযোগ করেননি অনুব্রতকন্যা। এতেই বোঝা যায়, মানসিকভাবে তিনি কতটা বিপর্যস্ত। এই অবস্থায় ওর দিকে লক্ষ রাখার জন্য সুতপা ইডিকে বার বার অনুরোধ করে ন।
