
কলকাতা : “আমি টেলিভিশন চ্যানেলকে মনে করি মানুষের মনের দরজা। মানুষের মনের জাগরণ তৈরি করে এই টেলিভিশন।” বৃহস্পতিবার কলকাতায় টেলিসম্মান অনুষ্ঠানে তাঁর বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিনোদন চ্যানেলগুলিকে মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধ, অপরাধের গল্প দেখানোর পাশাপাশি তার শাস্তি কতটা কঠোর হতে পারে সেটাও দেখানো হোক ধারাবাহিকে। তাঁর কথায়, "মানুষ কিছু কিছু ক্রাইমের দৃশ্য নকল করে৷ খারাপ জিনিস লোকে তাড়াতাড়ি গ্রহণ করে৷ ক্রাইমের কিছু দেখালে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি দেওয়ার বিষয়টাও দেখান, তাহলে প্রশাসনেরও জাগরণ হয়৷ আপনাদের থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা অনেক কাজ করতে পারি।”
’অনুরাগের ছোঁয়া' থেকে 'জগদ্ধাত্রী', 'নিম ফুলের মধু', 'গুড্ডি', 'রামপ্রসাদ', 'গাঁটছড়া' না দেখলে মন খারাপ হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে 'টেলি আকাদেমি পুরস্কার' অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করে এ কথা বললেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ।
২০১৪ সাল থেকে শুরু হয় এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। এ বার মোট ৪১টি বিভাগে ৬৬ জনকে পুরস্কার দেওয়া হয়। এ ছাড়াও আজীবন স্বীকৃতি, মরণোত্তর স্বীকৃতি, পাদপ্রদীপের তলায় বিভাগেও অভিনন্দন জানানো হচ্ছে এ বার।
এ বারের অনুষ্ঠানে সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন জুন মালিয়া এবং সাহেব চট্টোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীকে পুষ্পস্তবক এবং উত্তরীয় দিয়ে বরণ করে নেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন, আর্টিস্ট ফোরামের সম্পাদক শান্তিলাল মুখোপাধ্যায়, কার্যনির্বাহী সদস্য রানা মিত্র, ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অফ টেলিভিশন প্রোডিউসার্স-এর তরফে নীলাঞ্জনা সেনগুপ্ত, অর্কপ্রভ গঙ্গোপাধ্যায়, ফেডারেশন অফ সিনে টেকিনিশিয়ান্স অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ইস্টার্ন ইন্ডিয়ার সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস এবং যুগ্ম সম্পাদক সুজিত হাজরা।
