
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ এবার পুজোয় অন্যান্য বিভাগের পুলিশের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ডিউটি করল কলকাতা পুলিশের সারমেয় বাহিনীও।আপাতত লালবাজারের হাতে থাকা ৩৫টি পুলিশ কুকুরের মধ্যে বেশিরভাগই বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ। পুজোর সময় পুলিশকর্মী ও আধিকারিকদের মতো তাদেরও পরিশ্রমের শেষ থাকে না।
গত বছরই প্রশিক্ষণ নিয়ে এসেছে সূর্য, চন্দা, রেখা আর ক্যামফর। তাদের মধ্যে প্রথম তিনটি সারমেয়ই জার্মান শেফার্ড প্রজাতির। ক্যামফর ল্যাবরাডর। সূর্য ও ক্যামফর পুরুষ। তাদের চারজনকেই কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে ভারত-তিব্বত সীমান্তের দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনী আইটিবিপি-র প্রশিক্ষণকেন্দ্রে পাঠানো হয়। ক্যামফর ট্র্যাকিং ডগ বা খুনিদের সন্ধানে থাকা কুকুর হিসাবে প্রশিক্ষণ পায়। সূর্য, চন্দা ও রেখা বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ হিসাবে প্রশিক্ষণের পর কলকাতা পুলিশে যোগ দেয়। এই তিন ‘বন্ধু-বান্ধবী’র মূল কাজ ভিআইপি যাওয়ার আগে সেই জায়গাটি পরীক্ষা করা। কোনও ধরনের বিস্ফোরক বস্তু থাকলেই সঙ্গে থাকা ‘হ্যান্ডলার’কে তা জানান দেওয়া। এ ছাড়াও কোথাও সুটকেস, ব্যাগের মতো কোনও সন্দেহজনক বস্তু পড়ে থাকলে তার মধ্যে কোনও বিস্ফোরক রয়েছে কি না, তা-ও পুলিশ আধিকারিকদের জানানো তাদের কাজের মধ্যে পড়ে।
প্রথম থেকেই অন্যান্য ‘সিনিয়র’দের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সফলভাবে ডিউটি করেছে এই সারমেয় বাহিনী। তাই পুজোর আগে থেকেই তাদের নাম চলে আসে ডিউটির তালিকায়। মহালয়ার আগে থেকে সূর্য, চন্দা ও রেখাকে পাঠানো হয় ডিউটিতে। প্রত্যেকটি পুজো মণ্ডপে সূর্য, চন্দা, রেখাদের নিয়ে যাওয়া হয় বিভিন্ন পুজোর মণ্ডপে। মণ্ডপ ও তার চারপাশের যেখানে যেখানে গর্ত রয়েছে, সেই জায়গাগুলি শুঁকে পরীক্ষা করে তারা।এছাড়াও মণ্ডপের ভিতরের বিভিন্ন জায়গাও তারা বিস্ফোরকের সন্ধান করে। দুপুরের মধ্যেই শহরের গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপে মণ্ডপে ঘুরে সারমেয় বাহিনী পরীক্ষা চালায়। এই বছরই এভাবে প্রথম পুজোর ডিউটি করলো সূর্য, চন্দা, রেখাদের
