
কলকাতা : আপাতত পঞ্চায়েত ভোটকেই ‘অগ্রাধিকার’ দিচ্ছে রাজ্য সরকার। তার পরেই রাজ্যের সব জায়গায় হবে ছাত্র সাংসদ নির্বাচন। বৃহস্পতিবার এমনটাই জানালেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।
রাজ্যের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ছাত্র নির্বাচনের দাবিতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পড়ুয়াদের একাংশ সরব হয়েছে। যাদবপুর, প্রেসিডেন্সি, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো রাজ্যের প্রথম সারির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র সংগঠনগুলি ছাত্রভোটের দাবিতে বার বার সরব হয়েছে। এমনকি যাদবপুরের পড়ুয়ারা ছাত্র ভোটের দাবিতে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের দৃষ্টি আকর্ষণও করেছিল। গত ডিসেম্বর মাসে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল যোগ দিলে সেখানে রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানের সামনে ছাত্র ভোটের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান পড়ুয়াদের একাংশ। ছাত্র ভোটের বিষয়ে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানিয়েছিলেন, এ বিষয়ে আলোচনা করতে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সময় চেয়েছেন। তাঁর সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্তের কথা জানাবেন বলে জানিয়েছিলেন ব্রাত্য। তবে বৃহস্পতিবার শিক্ষামন্ত্রী জানান এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর এখনও কথা হয়নি। তবে পঞ্চায়েত নির্বাচনের পরে ছাত্র ভোট করা হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
ব্রাত্য বসু এদিন বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয়ে কোনও দিন কথা হয়নি। আমরা বলেছি যে, ছাত্র নির্বাচন করব। একটা বিশ্ববিদ্যালয় ধরে তো হবে না। রাজ্যের সব বিশ্ববিদ্যালয়েই হবে। সামনেই পঞ্চায়েত ভোট রাজ্যে রয়েছে। এখন অগ্রাধিকারে পঞ্চায়েত ভোট। কেউ যদি বিক্ষিপ্ত ভাবে আন্দোলন করতে চান, করতে পারেন।’ একইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আশা করছি, পঞ্চায়েত ভোটের পরে খুব দ্রুত ছাত্র সাংসদ নির্বাচন করতে পারব।’
