Breaking News
 
CM Suvendu Adhikari starts Janatar darbar : সল্টলেকে বিজেপি দফতরে শুভেন্দুর ‘জনতার দরবার’, জনতার সমস্যা শুনে মিলল স্বস্তি Suvendu Adhikary: “কাশ্মীরে বন্ধ হয়েছে, এখানেও হবে”—পার্ক সার্কাসে দাঁড়িয়ে শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি ,গ্রেফতার ৪০ Suvendu Adhikari :রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড়, আর জি কর ইস্যুতে স্বাস্থ্যসচিবকে জরুরি তলব মুখ্যমন্ত্রীর Annapurna Bhandar : অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার স্কিমে নতুন ঘোষণা, ১ জুন থেকেই ৩ হাজার টাকা পাবেন নির্দিষ্ট উপভোক্তারা Seventh state pay commission : রাজ্যে নতুন বেতন কমিশন, সপ্তম পে কমিশনের ঘোষণা শুভেন্দু সরকারের, ডিএ নিয়ে আপাত অনিশ্চয়তা West Bengal Education Department : শিক্ষাক্ষেত্রে মানোন্নয়নের উদ্যোগ, শিক্ষাদপ্তরের কাছে সাহায্যের আবেদন বিধায়ক শংকরের

 

kolkata

2 years ago

Sale of firecrackers in maidan baji bazaar: ময়দানে ফিরছে বাজি বাজার, কবে থেকে শুরু করতে পারবেন কেনাকাটা?

Firecrackers in maidan baji bazaar
Firecrackers in maidan baji bazaar

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ  সরকারি নির্দেশ পাওয়া গিয়েছে, এখন অপেক্ষা সেনাবাহিনীর অনুমতির, যদি অনুমতি মেলে তবে  তিন বছর পর এবার ফের ময়দানে বসবে বাজির বাজার। সরকারি নির্দেশ মেনে ৫০টি স্টল সেখানে থাকবে। কেবলমাত্র পরিবেশবান্ধব সবুজ বাজিই সেখান থেকে বিক্রি হবে। সারা বাংলা আতসবাজি উন্নয়ন সমিতির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, নবান্নের সবুজ সংকেত এসে গিয়েছে। সেনার ছাড়পত্র মিললে লক্ষ্মীপুজোর পর এই বাজার বসবে।

তারাবাজি, ফুলঝুরি, চরকি, হাওয়াই, তুবড়ি, রংমশাল-সহ আকাশে ওঠা বিভিন্ন রকমের বাজি বিক্রি হবে। ফলে সাধারণ মানুষ কালীপুজোর আগে সেখান থেকেই আতসবাজি কিনতে পারবেন। শব্দমাত্রা বেঁধেই বাজি বানানো হয়েছে তবে টালাতে যে বাজির বাজার বসেছিল, তা এবার না বসার সম্ভাবনার কথাই জানানো হয়েছে। একমাসের জন‌্য বাজির বাজারের লাইসেন্স দেওয়া হলেও দিন পনেরোর জন‌্য এই শহিদ মিনারের বাজির বাজার বসবে।

উল্লেখ্য, গোটা রাজ্যের সব জেলা মিলিয়ে মোট ৭০টা আতসবাজির মেলা হবে। তার মধ্যে উত্তরবঙ্গেই হবে ২০টি। ময়দান বাদ দিয়ে বড় মেলা হবে ডুমুরজলা স্টেডিয়াম, কাওয়াখালি, বেহালা অথবা বারাসতের মধ্যে কোনও একটি জায়গায়।

দিনকয়েক আগে বাজির বাজার সম্পর্কিত সরকারি নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, যে কোনও বাজির বাজারে ৫০টির বেশি স্টল করা যাবে না। প্রতিটি স্টলের মধ্যে তিন মিটারের দূরত্ব রাখতে হবে। কোনও স্টলের গেট মুখোমুখি হওয়া চলবে না। বাজার চত্বরে স্থানীয় ভাষায় ‘বিস্ফোরক এবং বিপজ্জনক সামগ্রী’ লেখা বোর্ড ঝুলিয়ে রাখতে হবে। স্কুল, মন্দির, টেলিফোন বা বিদ্যুৎ ভবনের মতো জায়গা থেকে বাজির বাজারের দূরত্ব অন্তত ৫০ মিটার হতে হবে।এছাড়াও, বাজি রাখার জন্য দাহ্য নয়, এমন বস্তু দিয়ে ছাউনি তৈরি করতে হবে। বিদ্যুৎ এবং আলোর ব্যবহার নিয়ে অত্যন্ত সতর্ক হতে হবে। স্টলের ৫০ মিটারের মধ্যে বাজি ফাটানো যাবে না। জরুরি চিকিৎসার বন্দোবস্তের পাশাপাশি অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা এবং দমকলের দু’টি গাড়ি অবশ্যই রাখতে হবে।

 

You might also like!