Breaking News
 
Vivekananda Merit Scholarship :শিক্ষাক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ, মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের জন্য চালু হল বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ Chief Minister Suvendu Adhikari : র্নীতি ও কাটমানি খতিয়ে দেখতে কমিশন গড়লেন শুভেন্দু, সঙ্গে নারী নির্যাতন নিয়েও আলাদা কমিশন CM Suvendu Adhikari starts Janatar darbar : সল্টলেকে বিজেপি দফতরে শুভেন্দুর ‘জনতার দরবার’, জনতার সমস্যা শুনে মিলল স্বস্তি Suvendu Adhikary: “কাশ্মীরে বন্ধ হয়েছে, এখানেও হবে”—পার্ক সার্কাসে দাঁড়িয়ে শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি ,গ্রেফতার ৪০ Suvendu Adhikari :রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড়, আর জি কর ইস্যুতে স্বাস্থ্যসচিবকে জরুরি তলব মুখ্যমন্ত্রীর Annapurna Bhandar : অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার স্কিমে নতুন ঘোষণা, ১ জুন থেকেই ৩ হাজার টাকা পাবেন নির্দিষ্ট উপভোক্তারা

 

kolkata

2 years ago

Durga Puja 2023 : পুজোর কল কাতার মুখ ঢেকেছে ফ্লেক্স-ব্যানারে 'কড়া পদক্ষেপ নিতে শুরু অনলাইন পিটিশন গ্রহন

Puja Flex-Banners (File Picture)
Puja Flex-Banners (File Picture)

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ  পুজো আসলেই শহর কলকাতার মুখ ঢাকে  বিজ্ঞাপনে, শহর কলকাতাকে সেই সময় কলকাতাকে চেনা দায় হয়ে পড়ে। পুজো কেটে গেলে ও দীর্ঘদিন পর্যন্ত সেই ফ্লেক্স-ব্যানার খোলা হয় না। তা খোলার ক্ষেত্রে কোনও হেলদোল থাকে না বেশিরভাগ পুজো কমিটির। এবার সেইবিষয়টিতেই সুরাহা চেয়ে অনলাইন পিটিশন দিচ্ছেন শহরের কিছু নাগরিক। গতবছরও ওই পিটিশন দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। তাঁদের দাবি, পুজোর পর দ্রুত ব্যানার ও ফ্লেক্সগুলি খুলে নেওয়ার দায়িত্ব নিতে হবে পুজো কমিটিগুলোকেই। অনেকের বক্তব্য, ব্যানার ফ্লেক্সের জন্য বহু বাড়িতে আলো-বাতাস ঢোকা পর্যন্ত বন্ধ হয়ে যায়। 

পিটিশনের উদ্যোগে থাকা লোকজন সরকারের কাছেও বিষয়টিতে অনুরোধ করবে বলে শোনা যাচ্ছে। এবং কলকাতা পুরসভার বিষয়টিতে নির্দেশিকা জারি করার আবেদন করা হয়েছে।পিটিশনটি প্রথম আপলোড করা হয়েছিল ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে। গত বছরের দুর্গাপুজোর আগেও এবিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল। অস্থায়ী বাঁশের ফ্রেমে বাঁধা বিজ্ঞাপন সহ বড় বড় ফ্লেক্স গত ১০ দিন বা এক পাক্ষিক থেকে অনেক জায়গায় দেখা যেতে শুরু করেছে। রাসবিহারী অ্যাভিনিউতে ইতিমধ্যেই অনেক ব্যানার রয়েছে। হাজরায় বাঁশের ফ্রেম তৈরি করা হয়েছে এবং শিগগিরই ব্যানার উঠবে। 

অনলাইন পিটিশনে শনিবার প্রায় ১০০ জন সই করেছেন। গত বছর থেকে এপর্যন্ত ২৪৫৫ জন সই করেছে পিটিশনটিতে। বলা হয়েছে, পুজোর সময় অনেকেই রাস্তায় বেরিয়ে ঠিকানা খুঁজে পান না। বিভিন্ন মোড় গুলিয়ে ফেলেন। কলকাতার অনেক বাসিন্দা অভিযোগ করেছেন যে, হোর্ডিংগুলি এমনভাবে লাগানো হয় যে তারা ঘরের জানালাও খুলতে পারেন না। 

তবে পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে, পুজোর ব্যানার নিয়ে এখনই কোনও নির্দেশিকা জারি করার পরিকল্পনা নেই। কারণ কমিটিগুলো পুজোর আগে ব্যানার লাগায়। পুজোর পর খুলে নেয়। তাই কোনও নির্দেশিকা জারি করার প্রয়োজন হয়নি। পরে ওই ব্যানার ও ফ্লেক্সগুলি ধাপায় ফেলা হয়। 

তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কলকাতার এক একটি বিজ্ঞাপন সংস্থা প্রায় ১০ হাজার করে ব্যানার-ফ্লেক্স লাগাবে।  যেসব কোম্পানির ব্যানারে বিজ্ঞাপন দেখানো হয় তাদের অর্থের একটি অংশ ব্যানারের অবস্থানের কাছাকাছি পুজো কমিটিগুলিতে যায়। ফুটপাথের একটি অংশ পুজো কমিটিগুলির মধ্যে ভাগ করা হয়েছে এবং আউটডোর বিজ্ঞাপন সংস্থাগুলি এই কমিটিগুলিকে টাকা দেয়।  

You might also like!