Breaking News
 
BJP : প্রতি মাসে মহিলাদের ৩০০০ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, সরকারি বাসে মহিলাদের টিকিট ফ্রি পয়লা জুন থেকেই মিলবে সিদ্ধান্ত সরকারের Kunal Ghosh : রাজনৈতিক সৌজন্যে শুভেন্দুকে কুণালের শুভেচ্ছা, তালিকায় শোভনদেব-অসীমা, অনুপস্থিত নয়না West Bengal Cabinet Ministers 2026: :নতুন মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব বণ্টন শুরু, দিলীপ-অগ্নিমিত্রাদের কোন দপ্তর? একনজরে তালিকা Suvendu Adhikari : প্রশাসনিক রদবদলে বড় ঘোষণা, প্রথম ক্যাবিনেটে ষাটোর্ধ্ব আমলাদের সরিয়ে দিলেন শুভেন্দু Humayun kabir : পঞ্চায়েত সমিতিতে বড় বিতর্ক, ২৮ কোটির দুর্নীতির অভিযোগে আতাউর, তালা ঝুলল অফিসে Subhendu Adhikari : আগামী সোমবার মন্ত্রিসভা বৈঠকে ডিএ ও পে কমিশন নিয়ে আলোচনা, ইঙ্গিত শুভেন্দুর

 

kolkata

2 years ago

Sheikh Shahjahan:অভিষেকের হয়ে সওয়াল করেও কুণাল বললেন, শাহজাহান ৭ দিনেই গ্রেফতার হবে

Kunal Ghosh,Sheikh Shahjahan
Kunal Ghosh,Sheikh Shahjahan

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ শেখ শাহজাহানের গ্রেপ্তারি নিয়ে মুখ খুললেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। অভিষেকের দাবিকে সমর্থন করেই তিনি জানালেন, আইনি জটিলতা যা ছিল, তা কেটে গিয়েছে। সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে কুণাল দাবি করেছেন, আদালতের যখন কোনও বাধা নেই, তখন ৭ দিনের মধ্যেই গ্রেফতার হবে শেখ শাহজাহান।

শেখ শাহজাহানকে পুলিশ কেন গ্রেফতার করতে পারেনি এ প্রশ্ন সম্প্রতি বারবারই উঠেছে। জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারম্যান কদিন আগে দাবি করেছিলেন, এ ব্যাপারে তিনি রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারকে প্রশ্ন করেছিলেন। ডিজি তাঁকে জানিয়েছেন, শাহজাহানের বিরুদ্ধে তাঁদের কাছে কোনও অভিযোগ নেই।

আবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রবিবার বলেন, আদালতের কারণেই শাহজাহানকে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। কারণ, ইডি এ ব্যাপারে স্থগিতাদেশ চেয়ে রেখেছে।

সোমবার এ ব্যাপারে কলকাতা হাইকোর্ট অবস্থান স্পষ্ট করে দেয়। উচ্চ আদালত জানিয়ে দেয়, শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার করার ক্ষেত্রে কোর্টের কোনও বাধা নেই। রাজ্য পুলিশ চাইলেই তাকে গ্রেফতার করতে পারে।

এর পরই টুইট করে কুণাল ঘোষ বলেছেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সঠিক বলেছিলেন। আদালতের আইনি জটেই বিষয়টা আটকে ছিল। তার সুযোগে রাজনীতি করছিল বিরোধীরা। আজ হাইকোর্ট সেই জট খুলে পুলিশকে পদক্ষেপে অনুমোদন দেওয়ায় ধন্যবাদ। সাত দিনের মধ্যে শাজাহান গ্রেপ্তার হবে”।

এ ব্যাপারে অবশ্য পাল্টা প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, “কুণাল ঘোষরা বাংলার মানুষকে বোকা ভাবছে। এর মানে হল, শাহজাহান পুলিশ বা শাসক দলের আশ্রয়েই ছিল। এখন আদালতের গুঁতো খেয়ে গুদাম থেকে বের করেবে।”

অন্যদিকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, “ফালতু অজুহাত দেখিয়ে শাহজাহান শেখকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ। কারণ, শাসক দল ভয় পাচ্ছে শাহজাহান শেখ গ্রেফতার হলে আবার কার না কার নাম বেরিয়ে আসবে। আদালত না বললে কিছুই করত না।”

সন্দেশখালি কাণ্ডে অন্যতম নাটের গুরু হল শাহজাহান শেখ। সে ও তার ভাই সিরাজউদ্দিনের বিরুদ্ধে সন্দেশখালিতে জমি জবরদখল, ভেরি দখলের ভুরি ভুরি অভিযোগ রয়েছে। শাহজাহানকে গ্রেফতারের দাবিতে উত্তাল হয়ে রয়েছে তামাম সন্দেশখালি। 

এই অবস্খায় শাসক দলের মধ্যে মতান্তর রয়েছে। দলের অনেকে মনে করেন, সন্দেশখালিতে সমস্যা রয়েছে মাত্র চার-পাঁচটি অঞ্চলে। শাহজাহানকে গোড়াতেই গ্রেফতার করে নিলে এতটা জল ঘোলা হত না। এখন শাহজাহানকে গ্রেফতার করলেও তা থেকে খুব একটা লাভের লাভ হবে না। বরং উত্তরোত্তর স্থানীয় মানুষের দাবি আরও বাড়তে পারে।


You might also like!