
কলকাতা, ১৪ জানুয়ারি : বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়ের দলীয় কর্মীর বাড়িতে মাংসভাত ফেলে উঠে যাওয়া নিয়ে বিতর্ক উঠেছে। ২৪ ঘন্টা বাদে এ নিয়ে সাফাই দিলেন তিনি।
শুক্রবার বীরভূমে ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন শতাব্দী। দলীয় সূত্রে খবর, ওই কর্মসূচির পর বিষ্ণুপুর এলাকার তেঁতুলিয়া গ্রামে দলীয় এক কর্মীর বাড়ির উঠোনে আয়োজন করা হয়েছিল মধ্যাহ্নভোজের। খাদ্যসূচিতে ছিল ভাত, ডাল, এঁচোড়ের তরকারি, খাসির মাংস এবং মাছ। সেখানে আমন্ত্রিত ছিলেন শতাব্দীও। কর্মসূচির পর সেখানে গিয়েছিলেন ওই তৃণমূল সাংসদ। প্রকাশ্যে এসেছে সেই সময়ের ভিডিয়ো।
তাতে দেখা গিয়েছে, দলীয় কর্মীদের অনুরোধে খেতে বসেছিলেন শতাব্দী। সাংসদকেও শালপাতার থালায় সব পদই দেওয়া হয়েছিল খাওয়ার জন্য। কিন্তু নিজের আসনে বসে দু-একটি ছবি তোলার পরেই না-খেয়ে তিনি উঠে পড়েন। যদিও শনিবার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শতাব্দী।
শনিবার তৃণমূল সাংসদ এ প্রসঙ্গে কলকাতায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘‘গত ১৪ বছর ধরে আমি কর্মীদের বাড়িতে খাই। কালকে দিদির সুরক্ষা কবচকে কেন্দ্র করে খেয়েছি-খাইনি এই নিয়ে বিতর্কের প্রশ্নই নেই। কারণ ১৪ বছরে ধরে আমি মাঠেঘাটে ঘুরে বেড়াই। প্রতিটি কর্মীর বাড়িতেই খাই। এটা নতুন কিছু নেই। কালকেও খেয়েছি।’’
