
কলকাতা : যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় ধৃতদের ব়্যাগিংয়ে উসকানি দিচ্ছে কারা, তদন্তের দাবি জানালেন ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি।
বুধবার শেষরাতে নিহত ছাত্রের মামাবাড়ি নদিয়ার রানাঘাটে বৃহস্পতিবার যান তিনি। স্বজনহারা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা হয় তাঁর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে সুবিচারের আরজি জানান আইএসএফ বিধায়ক। ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় মৃত্যুর নেপথ্যে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে দায়ী করেন নওশাদ। তিনি জানান, ব়্যাগিংয়ে যার প্রাণ গিয়েছে সে মেধাবী। যারা এই ঘটনায় গ্রেবতার হয়েছে তারাও মেধাবী। তাহলে কারা ব়্যাগিংয়ে উসকানি দিচ্ছে? কোন চক্রের সঙ্গে ওরা যুক্ত হচ্ছে, তা তদন্ত করে দেখার দাবি বিধায়কের।
গত ৯ আগস্ট রাতে প্রাণ হারায় প্রথম বর্ষের পড়ুয়া। নিহত ওই পড়ুয়া নদিয়ার বগুলার বাসিন্দা। বাংলা বানান নিয়ে গবেষণা করার স্বপ্ন দেখত নাবালক পড়ুয়া। ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় ক্রমশ জোরাল হচ্ছে ব়্যাগিংয়ের তত্ত্ব। এই ঘটনায় এখনও চার প্রাক্তনী ও পাঁচজন বর্তমান পড়ুয়া-সহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের জেরা করে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য সামনে এসেছে। ছাত্রমৃত্যুর প্রকৃত কারণ খুঁজে বার করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রহস্যের কিনারার দাবি জানিয়েছেন আইএসএফ বিধায়ক।
