
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় মানিককে গ্রেফতার করেছিল ইডি। বর্তমানে তিনি জেল হেফাজতে রয়েছেন। মানিক দীর্ঘ দিন কলকাতার যোগেশচন্দ্র চৌধুরী ল কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। নিয়ম মেনে তিনি ওই পদে নিযুক্ত ছিলেন কি না, তা জানতে সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-কে হলফনামা জমা দিতে বলেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সোমবার সেই হলফনামা জমা দেয় ইউজিসি। তাদের তরফে আদালতে জানানো হয়, নিয়ম মেনে অধ্যক্ষ পদে নিযুক্ত হননি মানিক।ইউজিসির তরফে জানানো হয়, কলেজের অধ্যক্ষ হতে গেলে কোনও ব্যক্তিকে স্নাতকোত্তর স্তরে কমপক্ষে ৫৫ শতাংশ নম্বর পেতে হয়। পিএইচডি কিংবা সমগোত্রীয় কোনও যোগ্যতা থাকতে হয়। তা ছাড়াও কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা কোনও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১৫ বছর পড়ানোর অভিজ্ঞতা থাকতে হয়। এই সমস্ত যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও মানিক অধ্যক্ষ হয়েছিলেন বলে হলফনামায় জানিয়েছে ইউজিসি।
বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে ল’ কলেজের ছাত্র দানিশ ফারুকি একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। ল’ কলেজের অধ্যক্ষদের বেআইনি নিয়োগ-সহ নানা অভিযোগে দায়ের হয়েছিল এই মামলা। তাতেই হলফনামা দেওয়ার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। ছুটির পরে ফের এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা।
সম্প্রতি যোগেশ চন্দ্র ল’ কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষকে নিয়ে একটি মামলা হয়। সেই মামলার তদন্ত করতে গিয়েই মানিক ভট্টাচার্যের নাম সামনে আসে। কারণ, এক সময় এখানকার অধ্যক্ষ ছিলেন মানিক ভট্টাচার্য। পরে তিনি অবসর নেওয়ার সময় নতুন অধ্যক্ষ নিয়োগ করেন। তদন্ত নতুন মোড় নেয়।এরইমধ্যে অধ্যক্ষদের নিয়োগ-যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এদিন ইউজিসি তাদের হলফনামায় উল্লেখ করে দেয় অধ্যক্ষ হওয়ার জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা কী থাকা দরকার। তারা এও উল্লেখ করে, যে যোগ্যতা থাকা দরকার তা মানিক ভট্টাচার্যের ক্ষেত্রে ছিল না।
