
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ শুক্রবারের খবরের শিরোনামে ঘুরে ফিরে এসেছে হৈমন্তীর নাম, কখন কুন্তলের মুখে উঠে এসেছে তার নাম আবার কখন তাকে পরিচয় করানো হয়েছে গোপাল দলপতির দ্বিতীয় স্ত্রী হিসাবে। তার খোঁজে তার বাড়িতে পৌঁছালে তার মা অগ্নিশর্মা হয়ে নিজের মেয়ে মৃত বলে জানিয়েছেন গনমাধ্যমকে।
এই আবহে মদন মিত্রের সঙ্গে সেই হৈমন্তীর ছবি প্রকাশ্যে!তবে তৃণমূল নেতার দাবি, তিনি হৈমন্তী বলে কাউকে চেনেন না। কুন্তল বা গোপালের সঙ্গেও পরিচয় নেই। তাঁর সঙ্গে রোজ বহু নারী ছবি তোলেন, নিজস্বী তোলার আবদার করেন। তিনি সেই আবদার রাখেন এবং অনেকে আবার সেই ছবি বাড়িতে বাঁধিয়ে রাখেন।
মদনের কথায়, ‘‘অনেকে আমার সঙ্গে ছবি তুলে বাঁধিয়ে রেখে দেয়। লোকে যেমন রবীন্দ্রনাথের ছবি বাঁধিয়ে রাখে, তেমনই আমার ছবিও বাঁধিয়ে রাখলে অসুবিধা কোথায়?’’ তাঁর সঙ্গে যাঁর ছবি প্রকাশ্যে, তাঁর নাম দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়লেও তিনি যে কোনও রকম দুর্নীতিতে জড়িয়ে নেই, তা-ও স্পষ্ট করেছেন কামারহাটির বিধায়ক।
এই প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতার মন্তব্য, ‘‘ছবিটা যে আমার, তা তো পরিষ্কার ভাবেই দেখা যাচ্ছে। আমি কলেজ জীবন থেকেই দেখেছি আমার ছবি বেরোলে এমনিই ভাইরাল হয়। যেমন উত্তমকুমারের ছবি স্টুডিয়োয় ঝোলানো থাকে। তেমনই আমার সঙ্গে ছবি তুললেই তা ভাইরাল হয়। মেয়েদের একটু ফর্সা দেখতে হলেই আমার সকলকে একই রকম লাগে। আলাদা করে বুঝতে পারি না। তার পর ভুলে যাই কোথায় দেখেছি, কবে দেখেছি।’’
মদনের সঙ্গে হৈমন্তী কবে এবং কোথায় এই নিজস্বী তুলেছিলেন, তা-ও তাঁর মনে নেই বলেই জানান মদন।তিনি আরো বলেন , হৈমন্তীর সঙ্গে যে ভাবে ছবিটা তোলা হয়েছে, সে ভাবে তোলা না হলে নাকি তা ‘রোমান্টিক’ হয় না। আর সেই কারণেই মেয়েরা তাঁর সঙ্গে এই ভাবে ছবি তোলে। তিনি বলেন, ‘‘আমার যে ইনস্টাগ্রাম ৭৮ শতাংশ মহিলা ফলোয়ার। তার মধ্যে ৬৯ শতাংশের বয়স ১৮ থেকে ২৫। এরাই আমাকে ভোট দিয়ে জেতায়। এরাই সব সময় আমাকে খোঁজে। আমার সঙ্গে ছবি তুলতে চায়।’’
