
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ রাজু ঝা (Raju Jha) খুনের (Murder) ঘটনায় আদালতের দ্বারস্থ ব্যবসায়ী নরেন্দ্র খারকা। পুলিশি তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টে ((Calcutta High Court)) গিয়েছেন রাজু ঝায়ের পরিচিত ব্যবসায়ী নরেন্দ্র খারকা (Narendra Kharka)। এই মামলার শুনাতিতে হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা (Justice Rajasekhar Mantha) বলেন, ওই খুনের তদন্তের ভার সিবিআই নিতে চায় কি না তা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা স্পষ্ট করে জানাক আদালতকে। আদালতের নির্দেশ, পূর্ব বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ থেকে মেডিক্যাল টিম গিয়ে ধৃত তিন অভিযুক্তের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবে। আদালত পুলিশের তদন্তে কোনও ভাবে হস্তক্ষেপ করবে না। আগামী ৩ মে মেডিক্যাল রিপোর্ট জমা দিতে হবে আদালতে।
নরেন্দ্রর আইনজীবী কপিল সিব্বল জানান, রাজু খুনের দুদিনের মাথায় তাঁর মক্কেলের অফিস থেকে পুলিশ তিনজনকে তুলে নিয়ে যায়। তাদের মারধর করা হচ্ছে। ওই তিনজন নরেন্দ্রর নাম বলেছেন বলে পুলিশের দাবি। কপিল সিব্বল ঘটনার সিআইডি কিংবা সিবিআই তদন্তের দাবি জানান।
রাজ্যের আইনজীবী অমিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, রাজু ঝায়ের খুন সিনেমার মতো রুদ্ধশ্বাস ঘটনা। কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলাকারীকে কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি। তাহলে কীসের ভিত্তিতে এই মামলা।
বিচারপতি মান্থা আইনজীবী সিব্বলকে বলেন, তদন্তকারীদের আপনার নির্দেশ দেওয়ারকে। আমি অবাক হয়ে যাচ্ছি। তদন্তের স্বার্থে পুলিশ একশো কিলোমিটার কেন, আরও দূরে যেতে পারে। সরকারি আইনজীবীও বলেন, তদন্ত কারা করবে তা ঠিক করার মালিক কি কপিল সিব্বল।
রাজুকে খুনের ঘটনায় ধৃত যুবকের নাম অভিজিৎ মণ্ডল। তাকে পানাগড় থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিজিৎকেই প্রথম গ্রেফতার করে সিট। ধৃত অভিজিৎ নারায়ণ ওরফে নরেন্দ্র খাড়কার গাড়িচালক। এই খুনের ঘটনায় নরেন্দ্রর আরও দুই কর্মীকে আটক করে পুলিশ।উল্লেখ্য, নরেন্দ্রর বিরুদ্ধে দুর্গাপুরে কয়লা পাচারের অভিযোগ রয়েছে। তার আরও অভিযোগ, রাজুর পুরনো সহযোগী হওয়ার কারণে তার সংস্থার কর্মীকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। এই ঘটনায় হাইকোর্টের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন ওই ব্যবসায়ী।
