
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ পূর্ব নির্ধারন মত মঙ্গলবার কলকাতায় আসেন কেন্দ্রীয় সরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন ঠাকুরবাড়িতে গিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মূর্তিতে মাল্যদান করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এই অনুষ্ঠান ঘিরে অমিত শাহকে তীব্র আক্রমন করলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। বললেন, ‘‘আমি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে খবর নেব পরে, মূর্তিগুলো ঠিক আছে কি না।’’যে রবীন্দ্রমূর্তিতে মালা পরিয়েছেন শাহ, সেই মূর্তি সম্পর্কে ব্রাত্যের এ হেন মন্তব্য রাজনীতির আঙিনায় ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।
২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের আবহে কলকাতায় রোড শো করেছিলেন অমিত শাহ। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে শাহের রোড শো থেকে হামলার অভিযোগ উঠেছিল। কলেজ স্ট্রিটে বিদ্যাসাগর কলেজে তাণ্ডবের ঘটনা ঘটে। বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। যা ঘিরে সরগরম হয়েছিল রাজ্য রাজনীতি। এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে বিজেপি নেতৃত্বকে বরাবরই আক্রমণ করে বাংলার শাসকদল। মঙ্গলবার রবীন্দ্রনাথের মূর্তিতে শাহের মাল্যদানের পর ব্রাত্যের এই মন্তব্য তাৎপর্য্যপূর্ণ।
প্রসঙ্গত কেবল বাংলার শিক্ষামন্ত্রীই নন, অমিত শাহের রবীন্দ্রজয়ন্তীতে এ রাজ্যে তার আসা নিয়ে কটাক্ষ করেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। মণিপুরে অশান্তির ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘‘উনি বাংলায় আসুন, ওঁকে স্বাগত। আমি এমনও বলছি না, শান্তি ফেরানোর জন্য অশান্তির এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের উপস্থিত থাকতে হবে। কিন্তু বাংলায় কিছু হলেই কিন্তু পরের দিন ওঁরা চলে আসেন। তখন ১৪৪ ধারা জারি থাকলেও তা মানেন না।’’
শাহের বাংলা সফর নিয়ে সুর চড়িয়েছে ফিরহাদ হাকিম ও তিনি বলেছেন, ‘‘উনি এখানে আসছেন, অথচ মণিপুরে যাচ্ছেন না। ২০২৪ সালে নির্বাচন রয়েছে, তাই এখন বাংলায় আসছেন। বাংলার আবেগকে নাড়াতে পারবেন না। এ বার ৩৫ কিছুতেই হবে না।’’
