
কলকাতা, ২১ জুলাই : তৃণমূল কংগ্রেসের একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবসের সমাবেশকে ঘিরে এবারও উৎসাহ ও উন্মাদনা চোখে পড়েছে। দূরের জেলার মানুষজন অনেক আগেই সমাবেশস্থলে এসে গিয়েছিলেন, আর শুক্রবার সকাল থেকে ধর্মতলার সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেছেন কলকাতা লাগোয়া জেলার তৃণমূল কংগ্রেস নেতা, কর্মী ও সমর্থকরা। আর তাই শিয়ালদহ ও হাওড়া স্টেশনগামী লোকাল ট্রেন ও মেট্রোগুলিতে মাত্রাতিরিক্ত ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে। কলকাতার বিভিন্ন জায়গা থেকে মিছিল করে ইতিমধ্যেই তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা পৌঁছতে শুরু করেছেন সমাবেশস্থলের দিকে।
কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে ধর্মতলা চত্বর। কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশের কড়া নজরদারি রয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশ কুকুর এবং ড্রোন দিয়েও নজরদারি চালানো হচ্ছে সমাবেশ চত্বরে। আর্মহার্স্ট স্ট্রিট, বিধান সরণি (কে সি সেন স্ট্রিট থেকে বিবেকানন্দ রোড), কলেজ স্ট্রিট, ব্রাবোর্ন রোড, স্ট্র্যান্ড রোড (হেয়ার স্ট্রিট থেকে রাজা উডমান্ট স্ট্রিট), বি বি গাঙ্গুলি স্ট্রিট, বেন্টিঙ্ক স্ট্রিট, নিউ সিআইটি রোড, রবীন্দ্র সরণি (বি কে পাল এভিনিউ থেকে লালবাজার স্ট্রিট) দিয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই তৎকালীন রাজ্য যুব কংগ্রেসের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আহ্বানে সচিত্র ভোটার পরিচয়পত্রের দাবিতে ‘মহাকরণ অভিযানে’ নেমেছিল যুব কংগ্রেস। সেই আন্দোলনে কলকাতার রাস্তায় পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন ১৩ জন যুব কংগ্রেস কর্মী। তাঁদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই ২১ জুলাই ‘শহিদ দিবস’ পালন করে তৃণমূল।
