
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: রাজস্থানের জয়পুরে অনুষ্ঠিত জুনিয়র মিস ইন্ডিয়া প্রতিযোগিতায় ১৫–১৬ বছর বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়ে বাংলার মুখ উজ্জ্বল করল মালদহের কিশোরী প্রিন্সিপ্রিয়া ভৌমিক। এই সাফল্যে খুশি কিশোরীর পরিবার, পাশাপাশি গর্বিত মালদহবাসী।
ইংরেজবাজার শহরের বাসিন্দা প্রিন্সিপ্রিয়া সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। তার বাবা সুরজিৎ ভৌমিক পেশায় ব্যবসায়ী। মঙ্গলবার জয়পুর থেকে বাড়ি ফেরার পর তাকে ঘিরে প্রতিবেশীদের উৎসাহ-উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো। জুনিয়র মিস ইন্ডিয়া চ্যাম্পিয়ন প্রিন্সিপ্রিয়া ভৌমিক জানিয়েছেন, জয়পুরের ক্লার্ক আমেরে বসে জুনিয়র মিস ইন্ডিয়ার আসর। এই আসরে দেশের ২৫টি রাজ্য থেকে ৫ থেকে ১৬ বছর বয়সি বাছাই করা প্রতিযোগীরা অংশ নেয়। মোট ১৭২ জন ফাইনালিস্টের মধ্যে কঠিন প্রতিযোগিতার শেষে সে ১৫–১৬ বছর বিভাগে চ্যাম্পিয়নের শিরোপা জিতে নেয়।
এই প্রতিযোগিতায় বিচারকের আসনে ছিলেন উরি খ্যাত অভিনেত্রী রিভা অরোরা, মিস সুপ্রানেশনাল ইন্ডিয়া শেফালি সুদ, টেলিভিশন সাংবাদিক আলোক শ্রীবাস্তব, প্রখ্যাত আইপিএস ও এলাকার অ্যাডিশনাল সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ ডঃ প্রশান্ত চৌবে, ফ্যাশন ডিজাইনার কৃতি রাঠোর, কাস্টিং ডিরেক্টর শোভা গোরি, আন্তর্জাতিক শিক্ষাবিদ উন্নতি সিং-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি।
এছাড়াও এই প্রতিযোগিতায় বাংলার আরও কয়েকজন কিশোরী বিভিন্ন বিভাগে সাফল্য অর্জন করেছে। আসানসোলের আরোহী চট্টোপাধ্যায় ৮–১০ বছর বিভাগে বিজয়ী হয়েছে। একই বিভাগে ফার্স্ট রানার-আপ হয়েছে মালদহের ঘোড়াপীর এলাকার মধুপর্না সিদ্ধান্ত। বাংলার ঐতিহ্যবাহী ছিন্নমস্তা কালী মুখোশ সেজে নজর কেড়েছে সে। মধ্যমগ্রামের সুহানি নন্দী ৫–৭ বছর বিভাগে প্রথম রানার্স-আপ হয়েছে। নিজের সাফল্য সম্পর্কে প্রিন্সিপ্রিয়া ভৌমিক জানিয়েছেন, “আমার এই সাফল্যটাকে পরিবারের জয় হিসাবে মনে করছি। পরিবার আমাকে সাহায্য করেছে। আমি পড়াশোনার পাশাপাশি দেশের জন্য কিছু করতে চাই। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক স্তরে সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণের জন্য পরিশ্রম চালিয়ে যাব। পড়াশোনাও চলবে।”
