Country

1 week ago

Samik Bhattacharya: বাংলায় প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের কারখানা! উত্তরপ্রদেশের মডেলে শিল্প করিডরের আর্জি শমীকের

Samik Bhattacharya on WB Defence Industry Corridor
Samik Bhattacharya on WB Defence Industry Corridor

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  পশ্চিমবঙ্গের মাটিতেই প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরির শিল্প গড়ে তোলার উদ্যোগের দাবি তুলতে চলেছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। উত্তরপ্রদেশের ধাঁচে বাংলায় প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর তৈরির জন্য কেন্দ্রের কাছে প্রস্তাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। রাজ্যে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের পরিকাঠামো গড়ে তুলতে কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতা চাওয়াই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। সূত্রের খবর, প্রবাসী ভারতীয়-সহ দেশের একাধিক শিল্পগোষ্ঠী ইতিমধ্যেই বাংলায় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরির কারখানা গড়ে তোলার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে রাজ্যে প্রতিরক্ষা শিল্পের পরিকাঠামো তৈরির দাবি নিয়ে শীঘ্রই প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন শমীক ভট্টাচার্য। কেন্দ্রের কাছে বাংলায় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের জন্য পৃথক পরিকাঠামো গড়ে তোলার বিষয়টি তিনি তুলে ধরবেন বলে সূত্রের খবর। 

শমীকের বক্তব্যের মূল সুর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর লক্ষ্যকে সামনে রেখে উত্তরপ্রদেশের মতো বাংলাকেও প্রতিরক্ষা উৎপাদনের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হোক। তাতে একদিকে দেশের প্রতিরক্ষা উৎপাদন বাড়বে, অন্যদিকে বাংলায় তৈরি হবে নতুন শিল্প ও কর্মসংস্থানের সুযোগ। প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই বাংলায় পরিকাঠামো তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গত ২৩ অগস্ট পশ্চিমবঙ্গে গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স (জিআরএসই) এবং যন্ত্র ইন্ডিয়ার পাঁচটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়েছে। প্রায় ৩,৫০০ কোটি টাকার এই প্রকল্পগুলিতে জাহাজ নির্মাণ, জাহাজ মেরামতি ও প্রতিরক্ষা উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি কর্মসংস্থান ও ছোট-মাঝারি শিল্পের সুযোগ তৈরির কথা জানিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। 

এর পাশাপাশি পূর্ব মেদিনীপুরের জুনপুটে ডিআরডিও-র ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাকেন্দ্রের কাজও এগোচ্ছে। প্রায় ৮.৭৩ একর জমিতে এই পরিকাঠামো গড়ে উঠবে, যা ওড়িশার চাঁদিপুরের পরীক্ষাকেন্দ্রের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে। এবিষয়ে রাজ্য সরকারের বক্তব্য, বড় কোনও প্রতিরক্ষা উৎপাদন প্রকল্প এলে জমির ক্ষেত্রে সমস্যা হবে না। কেন্দ্রীয় প্রকল্পে জমি ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। 

You might also like!