Breaking News
 
Abhishek Banerjee: জন্মদিনের মধ্যরাতে অভিষেকের বাড়ির সামনে উত্তেজনা, ‘চোর’ স্লোগান ঘিরে সংঘর্ষ! ভোর পর্যন্ত বাড়ির বাইরে সাংসদ Bihar Encounter: বিহারে পুলিশের সঙ্গে দুষ্কৃতীদের গুলির লড়াই; নিহত ৩ দুষ্কৃতী, আহত এক পুলিশ আধিকারিক HC on KMC Elections: কলকাতা পুরসভার নির্বাচনী নির্ঘণ্ট জারিতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ হাই কোর্টের CM Suvendu Adhikari: ‘কাজ বন্ধ করলে জেলে ঢোকাব’, ধর্মঘট ও শ্রমিক বিক্ষোভ নিয়ে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর CM Suvendu Adhikari: ‘জমিদাতাদের মান্যতা দেবে সরকার’, জমি অধিগ্রহণ নিয়ে বড় বার্তা শুভেন্দুর, বিঁধলেন বাম-তৃণমূলকে CM Suvendu Adhikari: ‘তোলাবাজি করলে ১৫ মিনিটেই গ্রেপ্তার’, শিল্পপতিদের অভয় দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

 

Viral News: ১১ ধরনের গাড়ি চালানোর লাইসেন্স, ৭১ বছরের আম্মাকে দেখে হতবাক তরুণরাও

Mani Amma (File Picture)
Mani Amma (File Picture)

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ ভালোবেসে কোনও কাজ করলে, সেক্ষেত্রে সাফল্য নিশ্চিত। ৭১ বছর বয়সে দাঁড়িয়ে তরুণ প্রজন্মের কাছে উদাহরণ হয়ে উঠেছেন এমনই একজন মহিলা। জেনে অবাক হবেন যে এই বয়সেও কেরালার রাধামণি ওরফে মণি আম্মার একটি নয়, দুটি নয়, ১১টি ড্রাইভিং লাইসেন্স রয়েছে। খুব স্বাভাবিকভাবেই, ৭১ বছর বয়সে ১১টি বিভিন্ন ক্যাটাগরির গাড়ি চালানোর লাইসেন্স পাওয়া কোনও ছোট ব্যাপার নয়। জেসিবি থেকে ক্রেন পর্যন্ত চালাতে পারেন মহিলা। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি নিজের সম্পর্কে অনেক মজার বিষয় শেয়ার করেছেন। কীভাবে এতগুলি লাইসেন্স পেয়েছেন, সে তথ্যও সামনে এনেছেন তিনি।

স্বামীই অনুপ্রেরণা মণি আম্মার

মণি আম্মা শেয়ার করেছেন যে তাঁর প্রাপ্তির জন্য অনুপ্রেরণা তাঁর স্বামীই। ৩০ বছর বয়স থেকেই এই কাজ শুরু করেছিলেন। তাঁরা সেসময় হাতে হাত মিলিয়ে ভারী যানবাহনের ড্রাইভিং স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। কীভাবে? সে গল্পও এদিন বলেছেন তিনি। ১৯৮৪ সালে, একটি ভারী যান চালানোর লাইসেন্স পেয়েছিলেন মণি আম্মা। সেই দিনগুলিতে কেরালায় ভারী যানবাহনের লাইসেন্স পাওয়া সহজ ছিল না। নিজের লাইসেন্স নিয়ে ম্যাঙ্গালোরে অন্যান্য আগ্রহী ব্যক্তিদেরও প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন আম্মা এবং তাঁদের লাইসেন্স পেতে সহায়তা করেছিলেন তিনিই। পরে, মণি আম্মা এবং তাঁর স্বামীর অনেক প্রচেষ্টার শেষে, তাঁরা কেরালায় প্রথম ভারী যানবাহন ড্রাইভিং স্কুল প্রতিষ্ঠার অনুমতি পেয়েছিলেন।

মণি আম্মা আরও জানিয়েছেন যে ২০০৪ সালে তাঁর স্বামীর মৃত্যুর পরে শুরুতে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলেন। এরপর, সবটা সামলে উঠে নিজের সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের স্বপ্নের ড্রাইভিং স্কুলের দায়িত্বও নিয়েছিলেন। যার পরে তিনি ড্রাইভিং সম্প্রদায়ের একজন নেত্রী হয়ে ওঠেন। অক্লান্ত পরিশ্রম করে মণি আম্মা নিজের AtoZ ড্রাইভিং স্কুলটিকে পরবর্তীতে AtoZ ড্রাইভিং ইনস্টিটিউটে পরিণত করে তুলেছেন।

পড়াশোনায় খুব ভালো ছিলেন মণি আম্মা

শিক্ষার কোনও বয়স নেই। রাধামণি পড়াশোনার ক্ষেত্রেও শীর্ষে ছিলেন। বর্তমানে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমা নিয়ে পড়াশোনা করছেন। মণি আম্মা আজ চালক সম্প্রদায়ের একটি বড় নাম। তিনি আজ অনেক মানুষের জন্য অনুপ্রেরণা, যাঁরা নিজেদের সমস্ত প্রচেষ্টা দিয়ে জীবনে কিছু করতে চান এবং কঠোর পরিশ্রম করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে চান। আসলে ইচ্ছে থাকলে সত্যিই সমগ্র মহাবিশ্বকেও হাতের মুঠোয় নিয়ে আসা সম্ভব। কারণ, এক্ষেত্রেও ভাগ্যও সর্বদা সহায় হয়ে থাকে।

শেয়ার করুন:

You might also like!

    লোড হচ্ছে…