
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ মোদী-শাহদের ফের চিঠি কুস্তিগিরদের, এশিয়ান গেমসের ট্রায়ালে স্বচ্ছতার প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিলেন কয়েক জন মহিলা কুস্তিগির।একই দাবিতে তাঁরা চিঠি দিয়েছেন সর্বভারতীয় অলিম্পিক সংস্থা (আইওএ) এবং স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়াকে (সাই)। চিঠি দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরকেও।
কুস্তিকর্তা ব্রিজভূষণ শরণ সিংহের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সামিল দেশের প্রথম সারির ছয় কুস্তিগিরকে বাড়তি সুবিধা দেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা তাঁদের। তাই প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও আইওএ এবং সাই-কে চিঠি দিয়ে ট্রায়ালের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার অনুরোধ করেছেন কয়েক জন মহিলা কুস্তিগির। যাঁদের মধ্যে রয়েছেন আন্তর্জাতিক পদকজয়ী একাধিক কুস্তিগির।
একই দাবিতে রোহতকের স্যর ছটুরাম আখড়ার ২৪ জন মহিলা কুস্তিগির আলাদা চিঠি দিয়েছেন সাইয়ের ডিরেক্টর জেনারেল সন্দীপ প্রধানকে। তাঁরা পরিষ্কার জানিয়েছেন, প্রতিবাদী কুস্তিগিরদের বাড়তি সুবিধা দেওয়া হলে মানবেন না। কেন ট্রায়ালে দুই পর্বে ট্রায়াল হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।
এর আগে গত ১৬ জুন বজরং পুনিয়া, সাক্ষী মালিক, বিনেশ ফোগটদের বাড়তি সময়ের দেওয়ার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে কুস্তি সংস্থার তরফে ভূপেন্দ্র সিংহ বাজওয়া জানিয়েছিলেন, দুই পর্বে ট্রায়াল হবে। প্রথম পর্বে সব কুস্তিগিরেরা সকলে ট্রায়াল দেবেন। দ্বিতীয় পর্বে নামবেন প্রতিবাদী ছয় কুস্তিগির। প্রথম পর্বের বিজয়ীর সঙ্গে তাঁর লড়াই হবে। যিনি জিতবেন তিনি এশিয়ান গেমসে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন। ট্রায়ালের এই পদ্ধতি মেনে নিতে পারছেন না দেশের কুস্তিগিরদের একটা বড় অংশ। কেন ছ’জনকে বাড়তি সুবিধা দেওয়া হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র এবং ক্রীড়ামন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘‘তিন অলিম্পিয়ান কুস্তিগিরকে বাড়তি ট্রায়ালে ছাড় দেওয়া হলে তরুণ খেলোয়াড়দের প্রতি অবিচার হবে। আমাদের মতে, দুই পর্বে ট্রায়ালের যে প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে, তা যুক্তি সঙ্গত নয়। উঠতি কুস্তিগিরদের সঙ্গে তাতে অবিচার হবে। সকলকে চার থেকে পাঁচটি ম্যাচ খেলতে হবে। আর ছ’জন কেন একটি করে ম্যাচ খেলেই ছাড়পত্র পাওয়ার সুযোগ পাবে? যোগ্যতা যাচাইয়ের নিয়ম কেন এক হবে না?’’
