
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ জাতিগত হিংসার আগুন কমাতে সর্বশক্তি প্রয়োগ করেছে প্রশাসন। সরকারি আর্থিক সহায়তার কথাও ঘোষণা করে হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে বিপুল অস্ত্র চুরির ঘটনায় প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ।
স্থানীয় এক সংবাদ সংস্থার একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, প্রশাসন মনে করছে রাজ্যে অন্তত ৪ হাজার অস্ত্রের কোনও খোঁজ মিলছে না। কার্তুজের সংখ্যা এখনও গুনে ওঠা যায়নি। কিন্তু কী ভাবে এত পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র লুট হল? প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, অশান্তি চলাকালীন রাজ্যের বিভিন্ন গুদাম, বিভিন্ন বাহিনীর অস্ত্রশালা থেকে দেদারে অস্ত্রশস্ত্র লুট হয়েছে। ঠিক কত অস্ত্র এবং কার্তুজ লুট হয়েছে তা জানতে এখনও অপেক্ষা করতে হবে কয়েক সপ্তাহ। অন্য একটি কেন্দ্রীয় এজেন্সির এক আধিকারিকও একই কথা জানিয়েছেন ওই সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিককে। গোয়েন্দারা খবর পেয়েছেন, মণিপুরে অশান্তি পাকানো কয়েকটি গোষ্ঠীর সঙ্গে জঙ্গি সংগঠনের যোগ রয়েছে এবং রাজ্যে অশান্তি চলাকালীনই প্রশিক্ষণ নিতে এ পার থেকে মায়ানমারে কয়েক জনকে পাঠানো হয়েছিল বলেও জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা।
