
নিউ দিল্লি, ২ অক্টোবরঃ রবিবার রাতে দিল্লি পৌঁছে সৌগত রায়ের বাসভবনে বৈঠক করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবং সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক, নেতা, মন্ত্রী ও সাসংদরা। সেখানেই ঠিক হয়ে গেল, কেবল ধরনা নয়, সংসদ অভিযানও করবে তৃণমূল। রবিবার রাতের নৈশ বৈঠকে অভিষেক ঠিক করে দেন ২ অক্টোবর, সোমবার রাজঘাট এবং ৩ অক্টোবর কৃষিভবনের বাইরে জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা এবং যন্তর-মন্তরেও একগুচ্ছ শর্ত থাকা শর্তেও কী ভাবে তাঁদের কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে।
তৃণমূল নেতৃত্ব জানান, সোমবার রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে শুরু হবে কর্মসূচী। সাংবাদিকবর্গের সাথে রবিবার রাতের আলাপচারিতায় সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, 'সোমবার দুপুর দেড়টা নাগাদ রাজঘাটে গান্ধীজির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে দলীয় কর্মসূচির সূচনা হবে। আমাদের মূল আন্দোলনে ১০০ দিনের কাজে বকেয়া আদায় নিয়ে। এই ১০০ দিনের কাজ, যাকে মনরেগা বলে, তার সঙ্গে গান্ধীজির নিবির সম্পর্ক রয়েছে। সেই কারণেই গান্ধীজির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।'
যন্তর-মন্তরের কর্মসূচি নিয়ে পুনরায় বৈঠক হবে সোমবার। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে মঙ্গলবারের কর্ম বৃত্তান্ত। রাজঘাটে কর্মসূচির পর সাংসদ সুদীপের বাড়িতে একটি দলীয় বৈঠকও ডাকা হয়েছে। সেখানে অভিষেক ছাড়াও দলের ১৫ জন নেতানেত্রীর উপস্থিত থাকার কথা। তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, ‘‘সোমবার দুপুরে একটা বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে মঙ্গলবারের কর্মসূচির রূপরেখা চূড়ান্ত হবে। তবে এর মধ্যেই নতুন কর্মসূচি, সংসদ ভবন অভিযান।
তৃণমূল সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় বঞ্চনার শিকার হয়েছেন যারা, তাঁদের নিয়ে সংসদ ভবনের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা। সেখানে ভুক্তভোগীদের নিয়ে গিয়ে দেখানো হবে, কী ভাবে তাঁদের হকের টাকায় নতুন সংসদ ভবন তৈরি হয়েছে। একটি সংসদ ভবন থাকতেও বাংলার মানুষের অধিকার খর্ব করে আরও একটি বিশাল সংসদ ভবন তৈরি করা হয়েছে।
