
দুর্গাপুর, ৬ জুন :আবারও রেলকর্মীদের গাফিলাতির অভিযোগ উঠল। তার জেরে বড়সড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা হলেও বেশ কয়েক ঘন্ট ট্রেন চলাচল অবরূদ্ধ হয়ে পড়ল আসানসোল- বর্ধমান শাখায়। মালগাড়ির খোলা দরজা ধাক্কা মারল রেলের বিদ্যুত খুঁটিতে। তার জেরে ওভারহেড তার ছিঁড়ে বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ল। আর তাতেই বিপত্তি। আসানসোল- বর্ধমান শাখায় আপ ও ডাউন দুটি লাইনে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হল। দীর্ঘক্ষন আটকে পড়ল একাধিক এক্সপ্রেস ও লোকাল ট্রেন। মঙ্গলবার ঘটনাকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনায় জানা গেছে, এদিন বেলা ১০ টা নাগাদ বর্ধমান - আসানসোল আপ লাইনে একটি মালগাড়ি যাচ্ছিল। ওইসময় ওয়ারিয়া ও দুর্গাপুরের মাঝে মালগাড়ির একটি খোলা দরজা লাইনের পাশে বিদ্যুত খুঁটিতে ধাক্কা মারে। ধাক্কার জেরে ছিঁড়ে পড়ে ওভারহেডের তার। তার ছিঁড়ে পড়ায় বর্ধমান-আসানসোল আপ ও ডাউন দুটি লাইনে ট্রেন চলাচল থমকে যায়। বেশকিছু এক্সপ্রেস ট্রেন আটকে পড়ে। দুর্গীয়ানা-কলকাতা এক্সপ্রেস ওয়ারিয়া, দুরন্ত এক্সপ্রেস রানীগঞ্জ, পাটনা-হওড়া জনশতাব্দী, অন্যন্যা এক্সপ্রেস ট্রেনও আটকে পড়ে। এছাড়াও বর্ধমান- আসানসোল, দুটি লোকাল ট্রেন আটকে পড়ে। দুর্গাপুর ও ওয়ারিয়ায়। যদিও এদিন খবর পেয়ে রেল আধিকারিক ও কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় মেরামতের কাজ শুরু করে। দুপুর ১১ টা ২৫ মিনিট নাগাদ ডাউন শ্লো লাইনে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। দুপুর ১ টা ২০ মিনিট নাগাদ আপ ও ডাউন লাইনে ট্টেন চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করা হয়।
প্রশ্ন, মালগাড়ির কন্টেনার থেকে সামগ্রী খালি করার পর দরজা বন্ধ রাখা দরকার। কিন্ত, মালগাড়ির দরজা খোলা ছিল, সেই বিষয়ে চরম গাফিলাতির অভিযোগ উঠেছে। যদিও রেলের আসানসোল ডিভিশন জানিয়েছে, "দুপুর দেড়টা নাগাদ ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।"
