Breaking News
 
West bengal Assembly Election: ভবানীপুরে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, মমতা বনাম শুভেন্দু, ২০২৬-এর রাজনৈতিক মহারণে শেষ পর্যন্ত নজর কাড়ল কে? West Bengal Assembly Election Result 2026: বাঙালিয়ানা ভরপুর, ধুতি -পাঞ্জাবির সাজে দিল্লির মঞ্চে মোদী, বাংলার জয়ে উচ্ছ্বাসে ভাসল বিজেপি শিবির Suvendu Adhikari Reacts: ‘সোনার বাংলায় নতুন ভোর’, বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ে উচ্ছ্বসিত শুভেন্দু, তৃণমূলকে হটিয়ে প্রথমবার ক্ষমতায় গেরুয়া শিবির সরকারি কাগজপত্র সংরক্ষণে কঠোর বার্তা, নথি সরানো যাবে না—মুখ্যসচিবের নির্দেশ Nawsad Siddique: পরিবর্তনের বাংলায় ভাঙড়ে বাজিমাত নওশাদের, আসন বদলে বিপর্যয় শওকতের West Bengal Assembly Election Result 2026: মুসলিম ভোটব্যাঙ্কে বিজেপির এগিয়ে থাকা—কারণ ব্যাখ্যা করলেন শুভেন্দু

 

West Bengal

2 years ago

Madhyamik Result Second Topper: বাবাই তাঁর আদর্শ! ডাক্তার হয়ে সেবা করাই লক্ষ্য বলে মনে করেন মাধ্যমিকে দ্বিতীয় সাম্যপ্রিয়

Madhyamik Result Second Topper
Madhyamik Result Second Topper

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ শিক্ষক বাবা বরাবর অধ্যাবসায় জোর দিতেন। আর বাবার দেখানো পথে হেঁটে মাধ্যমিকে দ্বিতীয় পুরুলিয়া জেলা স্কুলের ছাত্র সাম্য প্রিয় গুরু। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯২। তার বাবা সুনীতিপ্রিয় গুরু ওই স্কুলেরই শিক্ষক। বড় হয়ে চিকিৎসক হতে চায় এই মেধাবী। পুরুলিয়া জেলা স্কুলের ছাত্র সাম্যপ্রিয় গুরু জানাচ্ছেন, মাধ্যমিকের কয়েকদিন বাদ দিলে নিয়মিত ক্রিকেট খেলেছে সে এবং তার সঙ্গেই চালিয়ে গিয়েছেন পড়াশোনাও।

এদিন দ্বিতীয় হওয়ার খবর সামনে আসার পরেই খুশি বাঁধ ভাঙে তাঁর পরিবারের। সাম্যপ্রিয় জানায়, প্রথমের দিকে তার চাপ কম ছিল। পরের দিকে চাপ বেড়েছে পড়াশোনার। আবৃত্তি করা একসময় পছন্দের বিষয় ছিল। কিন্তু, মাধ্যমিকে স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে সেই ইচ্ছেয় কিছুদিন তালাচাবি দিতে হয়েছিল বৈকি। তবে শুধু বইমুখো হতে চায়নি এই টপারও।

সাম্যপ্রিয়র কথায়, ‘পড়াশোনা না করলে কি দ্বিতীয় স্থান পাওয়া যায়!’ এই কৃতী স্পষ্ট জানাচ্ছে, পড়াশোনায় কোনও খামতি রাখেনি সে। নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে গিয়েছে। তবে টানা বইয়ে মুখ গুঁজে বসে থাকার পক্ষপাতীও সে নয়। সাম্যপ্রিয়র বাবা মা অত্যন্ত খুশি। এই কৃতীর পরিবার জানাচ্ছে, ছেলে বরাবর পড়াশোনায় ভালো। তবে দ্বিতীয় হবে তা আশা করেনি।

উল্লেখ্য, মাধ্যমিকে প্রথম স্থান পেয়েছে কোচবিহারের রামভোলা হাই স্কুলের ছাত্র চন্দ্রচূড় সেন। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৩। পড়াশোনার জন্য কোনও বাধাধরা সময় ছিল না বলেও জানায় সে। এই কৃতীর কথায়, 'সারাক্ষণ বইয়ে মুখ গুঁজে বসে থাকতাম না। যখন ইচ্ছে হত পড়াশোনা করতাম। আলাদা করে কোনও বাধাধরা রুটিন ছিল না।'

উল্লেখ্য, এই বার মাধ্যমিকের মেধা তালিকায় রয়েছে ৫৭ জনের নাম। জেলার নিরিখে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নিরিখে রয়েছে আট জন, দক্ষিণ দিনাজপুরের সাত জন, পূর্ব বর্ধমান থেকে সাত জন, পূর্ব মেদিনীপুর থেকে সাত জন, বাঁকুড়া থেকে চার জন, মালদা থেকে চার জন, পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে চার জন, নদিয়া থেকে দুই জন, ঝাড়গ্রাম থেকে এক জন, কলকাতা থেকে এক জন, বীরভূম থেকে তিন জন, উত্তর ২৪ পরগনা থেকে দুই জন, উত্তর দিনাজপুর থেকে এক জন রয়েছেন এই মেধাতালিকায়।

পাশের হারে প্রথম স্থান ধরে রাখতে পারেনি পূর্ব মেদিনীপুর। তার জায়গায় এসেছে কালিম্পং। এবারে মাধ্যমিকে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৯ লাখ ১২ হাজার ৫৯৮ জন। তাঁদের মধ্যে পাশ করেছে সাত লাখ ৬৫ হাজার ২৫২ জন।

You might also like!