
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যের ভোটগণনায় শুরুতেই যেন টানটান নাটক! একদিকে ভবানীপুরে-এ ‘ঘরের মেয়ে’ মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় এগিয়ে থেকে নিজের ঘাঁটি ধরে রাখার ইঙ্গিত দিচ্ছেন।অন্যদিকে নন্দীগ্রামে-এ দেখা যাচ্ছে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র—সেখানে এগিয়ে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূলের পবিত্র কর আপাতত পিছিয়ে, ফলে উত্তেজনা আরও বাড়ছে।দুই কেন্দ্রে দুই রকম ট্রেন্ড—একদিকে তৃণমূলের আত্মবিশ্বাস, অন্যদিকে বিজেপির পাল্টা চ্যালেঞ্জ। প্রথম রাউন্ডেই স্পষ্ট, লড়াই এবার জমে উঠেছে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত!
গণনা চলাকালীন ভাবনীপুর লক্ষ্মী-নারায়ণ মন্দিরে পুজো দেন শুভেন্দু। প্রথম রাউন্ডের গণনা শেষ হতেই নন্দীগ্রামের জয়ের প্রসঙ্গে আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “নন্দীগ্রামে যা আশা করেছিলাম, তার তিনগুণ বেশি ভোট পেয়েছি। বিজেপিই সরকার গড়বে।” তিনি আরও বলেন, “হিন্দু ইভিএম বিজেপির। মুসলিম ইভিএম তৃণমূলের। তবে আগের মতো আর একদিকে কনসলিডেট করছে। মালদহ, মুর্শিদাবাদের অনেক জায়গায় কংগ্রেস ভাল কাজ করছে।”
তবে নন্দীগ্রাম নিয়ে আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দুর সামনে ভবানীপুর প্রসঙ্গ উঠতেই কেমন যেন সুর নরম হয়ে আসে। আত্মবিশ্বাসী রব কার্যত উবে গিয়ে হতাশাই প্রকাশ পায় তাঁর বক্তব্যের ছত্রে ছত্রে। তিনি বললেন, “ভবানীপুরে খুব বেশি আশা করছি না, ৬-৭ রাউন্ডের পর ভাল হবে রেজাল্ট। ১০ রাউন্ডের যা বলার বলব।”রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, তৃণমূলের গড় হিসেবে পরিচিত দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুরের ‘ঘরের মেয়ে’ মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। এই আসনে কখনও তাঁর দিক থেকে মুখ ফেরায়নি। তাই এবার নন্দীগ্রামের প্রেস্টিজ ফাইট ভবানীপুরে ফেরাতে বিজেপির হাতিয়ার শুভেন্দু। আর মাত্র কিছুক্ষণ পরই বোঝা যাবে, আসলে জনতার রায়ে কার মাথায় বিজয় মুকুট।
