Breaking News
 
Chinmoy Prabhu: চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবিতে কলকাতায় ফের বিক্ষোভ, সন্ন্যাসীদের মিছিলে পুলিশি বাধায় উত্তেজনা Flydubai Attack: ৯/১১-র পর বিমানে ‘অস্ত্র’ নিয়ে বড় বদল, সেই নিয়মের সুযোগেই জঙ্গি হামলা? প্রকাশ্যে সরকারি বিবৃতি Siliguri Cow Smuggling Row: গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে মৃত্যু যুবকের, ভাঙচুর একাধিক গাড়ি, উত্তেজনা WB Special Ration Package: পুজোর আগে রেশনে ‘ফেস্টিভ প্যাকেজ’! অর্ধেক দামে ময়দা-চিনি-সুজি, জানুন বিস্তারিত Suvendu on Mamata : নন্দীগ্রামে মমতার চোট নিয়ে ফের তদন্তের নির্দেশ, রিপোর্ট হাতে শুভেন্দু, ভোটের পর শুরু তদন্ত প্রক্রিয়া Bayron Biswas: বাড়িতেই অগ্নিদগ্ধ ঋতব্রতপন্থী বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস, শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক

 

West Bengal

1 month ago

Shubhrangshu Roy: ‘লাশের রাজনীতি করতে ভালোবাসেন…’, হালিশহর-কাণ্ডে মমতাকে তীব্র আক্রমণ মুকুল-পুত্র শুভ্রাংশুর

Shubhrangshu Roy ON  Halishahar incident
Shubhrangshu Roy ON Halishahar incident

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  হালিশহরে পুলিশ হেফাজতে তৃণমূল কর্মী বিরজু কেওতের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। রবিবার নিহত কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে সেখানে পৌঁছন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মমতার উদ্দেশে ‘চোর’ ও ‘ডাকাতরানি’ স্লোগানও ওঠে বলে অভিযোগ। বিক্ষোভ উপেক্ষা করে নিহত কর্মীর বাড়িতে পৌঁছন মমতা। তবে পরিবারের সদস্যরা তাঁর সঙ্গে দেখা করতে চাননি বলেও জানা যায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় রাজনৈতিক চাপানউতোর। এই আবহেই এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করলেন মুকুল রায়ের পুত্র শুভ্রাংশু রায়। তাঁর অভিযোগ, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লাশের রাজনীতি করতে ভালবাসেন।” 

মমতার উপর হামলার প্রসঙ্গে শুভ্রাংশু বলেন, “এটা বাংলার সংস্কৃতি নয়। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লাশের রাজনীতি করতে ভালবাসেন। সব ঘটনাকে রঙ চড়িয়ে দেখাতে পছন্দ করেন। ওনার কাছে ইট পাথর হয়ে যায়। কাদা ঢিল হয়ে যায়। আমার বাবা যেদিন মারা যান, সেদিন এক বারও কেউ দেখতে আসেননি। বিধানসভাতেও পর্যন্ত যাননি না। ওই ক’দিনের মধ্যে তিনি একবারও ফোন পর্যন্ত করেননি। অথচ মুকুল রায় ছিল তাঁর ছায়া সঙ্গী ছিলেন।” অভিষেকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে তিনি বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, মুকুল রায়ের দেহ নিয়ে রাজনীতি করে গেলেন। তিনি নিজে এসে আর কাউকে আসতে দেননি। শুভেন্দু অধিকারী থেকে অর্জুন সিং সবাই এসেছিলেন। আমাকে ফোনও করেছিলেন।” 

প্রসঙ্গত, সোমবার ‘পুলিশ হেফাজতে’ তৃণমূল কর্মীর মৃত্যুতে রাজধর্ম পালন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নিহত কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করে তিনি হালিশহর থানার আইসিকে ক্লোজ এবং আইও বা তদন্তকারী আধিকারিককে সাসপেন্ডের সিদ্ধান্ত জানান। এছাড়া মৃতের স্ত্রীকে মুখ্যমন্ত্রীর অ্যাটেনডেন্ট হিসাবে চাকরি এবং ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। 

You might also like!