
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গে রাজ্যসরকার ও রাজ্যপালের মধ্যে রসায়ন খুব ভালো কখনোই ছিল না। তবে প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছিল সি.ভি.আনন্দ বোসের সঙ্গে রাজ্য সরকারের সম্পর্ক মধুর হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ততটা মধুর আর রইলো না। এর সূত্রপাত আগে হলেও মঙ্গলবার রাজভবন থেকে ঘোষণা করা হয়,রাজভবনে বিশেষ ভাবে পালিত হবে বাংলা নববর্ষ৷ এই কথা ঘোষণা করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের রাজভবনের তরফ থেকে৷ আর তাই নিয়েই এ বার খোঁচা দিলেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ৷ তিনি বললেন, ‘‘জনগণ নির্বাচিত সরকারের বিরোধী মঞ্চ হলে আপত্তি থাকবে৷’’
রাজ্যপালের এই নতুন ঘোষণায় শাসক দলের কিছুটা যে 'গুস্যা হুয়া' তা কুণাল ঘোষের কথায় স্পষ্ট। বেশ উষ্মা প্রকাশ করেই কুণাল ঘোষ বলেন,মানুষ রাজভবন আগেও দেখতে পেয়েছে৷ অতীতেও একাধিক অনুষ্ঠান হয়েছে৷ বাঙালি নববর্ষ পালন করলে ভাল। অতীতেও তো হয়েছে৷ ওঁর জনসংযোগ করার মনে হলে করবেন। পাশাপাশি কুণালের খোঁচা, ‘‘তবে রাজভবন হলিডে হোম হয়েছে কিনা তা জানা নেই৷ বাঙালি দীঘার বদলে রাজভবনে যাবেন কিনা তাও জানা নেই।’’ কুণাল ঘোষের এই কথাতেই তার শ্লেষ স্পষ্ট।
ওদিকে বাংলার নববর্ষ পালনের জন্য ইতিমধ্যেই দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। নববর্ষ পালন অনুষ্ঠানে থাকতে পারেন মুখ্যমন্ত্রীও। ঐ দিন বাংলার সংস্কৃতিকে তুলে আনা হবে রাজভবনে। বাংলা ভাষার উপর আলোচনা হবে রাজভবন এ। পয়লা বৈশাখ বিকেলেই রাজভবনেই হবে এই অনুষ্ঠান। ব্যক্তিগত স্তরে রাজ্যপাল জানিয়েছেন, রাজভবন থাকবে সাধারণ মানুষের জন্য। পয়লা বৈশাখ থেকেই জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে রাজভবন। মূলত "হেরিটেজ ওয়াক" নাম দেওয়া হয়েছে সেই অনুষ্ঠানের। রাজভবনের ভিতরে বিভিন্ন দুর্লভ জিনিস দেখতে পাবেন সাধারণ মানুষ৷ বাংলার নাগরিক মহল এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।
