
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ বুধবার একাধিক কর্মসূচি নিয়ে উত্তরবঙ্গ সফরে আসেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য, কিন্তু সেখানে তাকে এক অপ্রীতিকর ঘটনার সম্মুখীন হতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ওমপ্রকাশ মিশ্র-সহ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তিনি৷ ওই সময় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ‘বিশ্ববিদ্যালয় বাঁচাও’ মঞ্চের তরফে বিক্ষোভ প্রদর্শন কর্মসূচির জন্য মাইক লাগানোর সময় শুরু হয় ঝামেলা। আন্দোলনকারীদের বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। আঙুল ওঠে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্যদের দিকে। এই গন্ডগোলে অভিজিৎ সান্যাল নামে ‘বিশ্ববিদ্যালয় বাঁচাও’ মঞ্চের এক সদস্য জখম হয়েছেন বলে অভিযোগ।
পরিস্থিতি সামাল দিতে সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা উপস্থিত হলেও তাঁদের সঙ্গেও বচসা শুরু হয় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্যদের। এর পর শিক্ষামন্ত্রীকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসেই বিক্ষোভ দেখান ‘বিশ্ববিদ্যালয় বাঁচাও’ মঞ্চের ছাত্রছাত্রী-সহ অধ্যাপকেরা। উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কিছু দিন ধরে আন্দোলন করছেন পড়ুয়াদের একাংশ। শিক্ষকদের একাংশ সেই আন্দোলনের সমর্থনে রয়েছেন।
আন্দোলনকারী এবং আহত ছাত্র অভিজিৎ বলেন, ‘‘বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি বেসরকারিকরণ বা হস্তান্তরের বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন কর্মসূচি ছিল। প্রশাসনিক ভবনের সামনে মাইক বাঁধার কাজ চলছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তারক্ষীরা আমাদের জানান এখানে মাইক বাঁধার কোনও অনুমতি উপাচার্য দেননি৷ আমরা তাঁর কাছে এ সংক্রান্ত নথি দেখতে চাইলে তাঁদের সঙ্গে বচসা শুরু হয়।
অন্য দিকে, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কার্যকারী সভাপতি মিঠুন বৈশ্যের দাবি, ‘‘এগুলো সব ভিত্তিহীন অভিযোগ। ওঁরা জানেনই না যে কেন আন্দোলন করছেন। আন্দোলন বাঁচিয়ে রাখতে হবে, সে জন্যই এই ভুল পদক্ষেপ করেছেন৷’’
বিক্ষোভ প্রসঙ্গে ব্রাত্য বলেন, ‘‘ক্যাবিনেটই শেষ সিদ্ধান্ত জানাবে। তবে আমি এটুকু বলতে পারি, বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি দেওয়া হচ্ছে না। আর বেসরকারিকরণও হয়নি। এটা সরকারেরই একটি দফতর থেকে আরও একটি দফতরে যাচ্ছিল। পর্যটন বিভাগ অন্যত্র জমি নেবে।’’
