Breaking News
 
ssc-omr-sheets : রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নাম প্রকাশের দিনেই প্রকাশ্যে শিক্ষক নিয়োগের ওএমআর শিট, বাড়ল বিতর্ক TMC: অষ্টাদশ বিধানসভায় তৃণমূলের বিরোধী দলনেতা হচ্ছেন শোভনদেব; গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরহাদ-নয়নারা Narendra Modi: জনসমুদ্রে ‘সোনার বাংলা’র অঙ্গীকার! গেরুয়া ঝড়ে কাঁপল কলকাতা, ব্রিগেডে জনতার শক্তির জয় Suvendu Adhikari: প্রতিশোধ নয়, পরিবর্তনই লক্ষ্য! জোড়াসাঁকো থেকে বিরোধীদের সংযত হওয়ার বার্তা শুভেন্দু অধিকারীর Mamata Banerjee: মমতার অন্ধ স্নেহেই কি ডুবল দল? ফিরহাদ-কন্যার ধৃতরাষ্ট্র-মন্তব্যে পাল্টাহাওয়ার ইঙ্গিত ঘাসফুল শিবিরে Suvendu Adhikari: শ্যামাপ্রসাদের উত্তরসূরি হিসেবে উদয়! ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে বাংলার নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু

 

West Bengal

2 years ago

Job Seekers Protest:ফের মধ্যরাতে আটক আন্দোলনকারী চাকরিপ্রার্থীরা

Talks are going on with the police
Talks are going on with the police

 

কলকাতা, ৩ ডিসেম্বর  : ফের একবার মধ্যরাতে অবস্থানরত চাকরিপ্রার্থীদের প্রিজন ভ্যানে আটক করল পুলিশ। ২০০৯ সালের দক্ষিণ ২৪ পরগনার প্রাইমারির চাকরিপ্রার্থীরা শনিবার গান্ধীমূর্তির পাদদেশে যে অবস্থান কর্মসূচি নিয়েছিল সেই কর্মসূচিতে পুলিশের সঙ্গে তাঁদের ব্যাপক ধস্তাধস্তি হতে দেখা যায়। পরবর্তীতে তাদেরকে আটক করে লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু, রাত ন’টা নাগাদ ফের তাদের ছেড়েও দেওয়া হয়।

এরইমধ্যে লালবাজার থেকে ছাড়া পেয়ে ফের রণংদেহী মূর্তিতে দেখা যায় চাকরিপ্রার্থীদের। আবারও গান্ধী মূর্তির পাদদেশে অবস্থান শুরু করেন। কিন্তু, মধ্যরাত পেরিয়ে যেতেই গান্ধী মূর্তির চারপাশে বাড়তে থাকে পুলিশের সংখ্যা। আসেন ময়দান থানার কর্তারাও। ফের শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি। উঠতে থাকে স্লোগান। শেষে পুলিশ আবারও চাকরিপ্রার্থীদের আটক করে নিয়ে যায়। যদিও বারবার পুলিশি বাধার মুখে পড়েও তাদের দাবি নিয়ে অনড় চাকরিপ্রার্থীরা। তাঁদের কথায়, ‘যতবার আটক করতে পারে করুক, ছাড়া পাওয়ার পর আবারও এই গান্ধী মূর্তির পাদদেশেই অবস্থান চলবে, লড়াই চলবে।

প্রসঙ্গত, বাইশের অক্টোবরের একদম শেষদিকে এরকমই একই ঘটনা ঘটেছিল তিলোত্তমা। সেই দিনও সল্টলেকের করুণাময়ীতেও টানা অবস্থান বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছিলেন টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীরা। রাত একটু গভীর হতেই আচমকা গোটা এলাকায় বাড়তে থাকে পুলিশের আনাগোনা। রাত ১০টার কিছু পরে গোটা এলাকা কার্যত পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ হয়ে যায়। রাত ১২টা বাজতে না বাজতে পুলিশের বুটের শব্দ আরও জোরালো হতে থাকে। ঘড়ির কাটা ১২টার গণ্ডি পেরোতে না পেরোতেই শুরু হয় পুলিশি অভিযান। কার্যত টেনে হিঁচড়ে তুলে দেওয়া হয়। তেইশের নভেম্বরে যেন বাইশের অক্টোবরের পুনরাবৃত্তি।

You might also like!