
কুলতলি, ৬ জুলাই : ভোটার স্লিপ বিলিকে কেন্দ্র করে বচসা দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলিতে। কুলতলির কুন্দখালি গোদাবর গ্রামে তৃণমূল কর্মীকে ধারাল অস্ত্রের কোপ মারা হয়েছে বলে অভিযোগ, বাঁচাতে গেলে আক্রান্ত হন তৃণমূল কর্মীর ছেলেও। হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল সিপিএম ও বিজেপির বিরুদ্ধে। তৃণমূল কর্মী অময় সর্দারের অভিযোগ, বুধবার সকালে সিপিএম ও বিজেপির দেওয়া ভোটার স্লিপ অস্বীকার করায়, সন্ধ্যায় তাঁর বাড়িতে চড়াও হয় বিরোধীদলের দুষ্কৃতীরা। তৃণমূল কর্মীকে কোপানোর পাশাপাশি, তাঁর ছেলে বিশ্বজিতকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। আহত তৃণমূল কর্মী হাসপাতালে ভর্তি। তবে এখনও কুলতলি থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। বাম-বিজেপির প্রতিক্রিয়াও মেলেনি।
অভিযোগ, বুধবার সন্ধ্যায় বাড়ির থেকে বের হতেই দুষ্কৃতীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ মারে অময় সরদারকে। ওই সময় ছেলে বিশ্বজিৎ বাড়ি ফিরছিলেন, তখন বাবাকে বাঁচাতে গেলে ছেলেকেও ধারালো অস্ত্রের কোপ মারে বলে অভিযোগ। ৬-৭ জন সিপিআই (এম) ও বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। আহত অময় ও বিশ্বজিৎ চিৎকার শুরু করলে পরিবার ও এলাকার মানুষ জন ছুটে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। আহত তৃণমূল কর্মীকে পরিবারের সদস্যরা উদ্ধার করে কুলতলির জামতলা গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করেন। আহত অময় বাবুর অভিযোগ, সকালে তার বাড়িতে সিপিআই (এম) ও বিজেপি কর্মীরা ভোটার স্লিপ দিতে এলে তিনি তা নিতে চাননি, ভোটার স্লিপ না নেওয়ায় তাকে হুমকি দেওয়া হয়। সন্ধ্যায় দেখে নেওয়া হবে বলা হয়। এরপর সন্ধ্যায় হঠাৎ করে বাড়িতে এসে তারা হামলা চালায়। ছেলে বাঁধা দিয়ে গেলে তাকেও মারধর করে। যদিও এই ঘটনায় অভিযোগ অস্বীকার করেছে সিপিআইএম।
